রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটক ২৩ জনের মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ১২ জনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তেজগাঁও কলেজ মসজিদ থেকে আটকের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুক্রবার জুমার নামাজের পর কয়েকজন ব্যক্তি মসজিদে অবস্থান করে আলোচনা করছিলেন। সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতার বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে গিয়ে তাদের আটক করে।
তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এতে ১১ জনের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পরে তাদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, আটক ২৩ জনের মধ্যে ১১ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১২ জনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাকি ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনের ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও জিজ্ঞাসাবাদে ‘ইত্তেহাদুল উম্মাহ’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলার পরিকল্পনার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উগ্রবাদী তৎপরতায় সংগঠিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
‘এ ধরনের উগ্রবাদী তৎপরতার বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স রয়েছে’, বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি জানান, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আরও জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।








