বাংলাদেশেও আগামীতে পাতাল ও বুলেট রেল নির্মিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এজন্য সবাইকে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের জন্য কাজ করে। উন্নয়নের মধ্য দিয়ে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হবে। শনিবার কমলাপুরে রেলবহরে যুক্ত হওয়া নতুন ট্রেন সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর কমলাপুর স্টেশনে গিয়ে নতুন ট্রেন উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্গম এলাকাসহ দেশের সব জেলায় রেলওয়ের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হবে।
সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী খিলগাঁও-শাজাহানপুর রেলগেটের ওপর নির্মিত খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নবনির্মিত লুপ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে প্রগতি সরণীতে হাতিরঝিল প্রকল্পের দক্ষিণ ইউ-লুপের ফলক উন্মোচন করেন। জাতীয় সংসদ থেকে বের হয়ে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নতুন লুপ ঘুরে কমলাপুর রেলস্টেশনে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নতুন ট্রেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাপানের বুলেট ট্রেনের প্রতি আগ্রহের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সেদিন বেশি দূরে নয়, আমরা দেশেই এই বুলেট ট্রেন চালু করতে সক্ষম হব। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীরা যেন রেলের সুবিধা পেতে পারেন, সেজন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে রেলওয়ের যারা শহিদ হয়েছেন তাদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে।
রেলওয়ে কর্তপক্ষ জানিয়েছে, সোনারবাংলা এক্সপ্রেস রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে। ট্রেনটি প্রতিদিন সকাল সাতটায় ঢাকা ছাড়বে। চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে ১২টা ৪০ মিনিটে। পথিমধ্যে শুধু ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে থামকে ট্রেনটি। এরপর বিরতিহীনভাবে গন্তব্যে ছুটে যাবে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ট্রেনটি রওনা হবে প্রতিদিন বিকেল ৫টায়। ঢাকা পৌঁছাবে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে।
সোনারবাংলা এক্সপ্রেসে বগি থাকছে ১৬টি। এসব বগিতে যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৭৪৬ জন। যাত্রী ভাড়া এসি চেয়ারে ১১০০ টাকা, এসি আসন ১০০০ টাকা এবং শোভন চেয়ার ৬০০ টাকা। যাত্রীদের সুবিধার্থে দুটি খাবার বগি থাকবে। বুধবার এর টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের সুবর্ণ এক্সপ্রেসসহ অন্যান্য ট্রেনও যথারীতি চলাচল করবে।
/ওএফ/এমএনএইচ/







