পরিবহন ধর্মঘটে বাড়লো সবজির দাম

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৫:০৩, নভেম্বর ২০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:২৪, নভেম্বর ২০, ২০১৯

সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে বাসচালকদের ধর্মঘটের পর আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) থেকে কাভার্ডভ্যান ও ট্রাকচালকদের কর্মবিরতির ঘোষণায় প্রভাব পড়েছে সবজি বাজারে। প্রতিকেজি শীতকালীন সবজির দাম বেড়েছে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। তবে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা দরে। তবে চালকদের ধর্মঘট অব্যাহত থাকলে বৃহস্পতিবার আরও দাম বাড়তে পারে বলে সবজি বিক্রেতারা আশঙ্কা করছেন।
বুধবার সকালে কাওরান বাজারের সবজি ও মসলার বাজার ঘুরে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
শীতকালীন সবজি বিক্রেতা মো. আরিফ বলেন, মঙ্গলবার রাতে সবজিভর্তি অনেক ট্রাক কাওরান বাজারে এসেছে, সব ধরনের সবজি বাজারে রয়েছে। তবে মঙ্গলবারের চেয়ে আজ প্রতিকেজি সবজির দাম ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা বেশি রয়েছে। কারণ কাভার্ডভ্যান ও ট্রাকচালকরা ধর্মঘট ডেকেছে, অনেকেই মনে করছে বুধবার রাতে ঢাকায় কোনও ট্রাক ঢুকবে না।
তিনি আরও বলেন, প্রতিকেজি শিম ৪৫ থেকে ৬০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ থেকে ৩০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা মঙ্গলবার ৫ থেকে ১০ টাকা কম ছিল।
সবজি বিক্রেতা আকলিমা বেগম বলেন, বড় বেগুনের কেজি ৪০ টাকা, কাঁচা কলা হালি ১৫ টাকা, কাঁচা পেঁপে পাঁচ কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা ইব্রাহীম বলেন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের ধর্মঘটের খবর ছড়িয়ে পড়ায় বাজারে প্রভাব পড়ছে। অনেকেই মনে করছে ট্রাক আসবে না, তাই হয়তো কোনও সবজি আজ রাতে আসবে না।

কাওরান বাজারের আলু-পেঁয়াজ বিক্রেতা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ছোট ১৬০, বড় ১৭০, মিসরের পেঁয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পুরান আলু পাঁচ কেজি ১১০ টাকায়, নতুন আলু দেশিটা ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মসলা বাজারের ৪৩ নম্বর আড়তদার মিনহাজ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হৃদয় বলেন, দেশি পেঁয়াজ পাইকারি ১৬০ টাকা বিক্রি হলেও খুচরা ১৮০ টাকা। তবে বাজারে কোনও ক্রেতা নেই। আগে প্রতিদিন ১০-১৫ বস্তা বিক্রি হলেও এখন পাঁচ বস্তা বিক্রি হয় না। পেঁয়াজের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে থাকলে লাভ বেশি।
পেঁয়াজের আড়তদার কামাল শেখ বলেন, পেঁয়াজের দাম মঙ্গলবার থেকে কমা শুরু করেছে। তবে ধর্মঘটের কারণে হয়তো আবার বাজারে প্রভাব পড়বে। বাজার স্থিতিশীল হতে পারছে না।

/এআরআর/এআর/এমএমজে/

লাইভ

টপ