‘কোভিড-১৯ রেসপন্স’ রেজুলেশন নিয়ে আলোচনা শেষ

Send
শেখ শাহরিয়ার জামান
প্রকাশিত : ১১:৫১, মে ১৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৭, মে ১৩, ২০২০

 

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স’ রেজুলেশনের প্রথম ড্রাফট নিয়ে আলোচনা শেষ হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দফতর জেনেভাতে এটি নিয়ে গত একমাস ধরে আলোচনা হয়। এ বিষয়টি সোমবার (১১ মে) নিষ্পত্তির কথা ছিল। তবে জেনেভা সময় মঙ্গলবার (১২ মে) রাত পর্যন্ত আলোচনা চলার পর একটি টেক্সটে সবাই একমত পোষণ করেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের (১৪ মে) মধ্যে কোনও রাষ্ট্র এ নিয়ে আপত্তি না করলে এটি আগামী ১৮-১৯ মে ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে গ্রহণের জন্য প্রস্তাব করা হবে। সবাই একমত হলে রেজুলেশনটি পাস হবে।

একমাস আলোচনার প্রথম দিকে উন্নয়নশীল ও উন্নত বিশ্বের মধ্যে সুলভ মূল্য, সমতার ভিত্তিতে বণ্টন ও সমাধিকার (অ্যাফোর্ডাবিলিটি, ইক্যুয়িটি ও এক্সেস) নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। আলোচনার শুরু থেকে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশ এ বিষয়গুলো নিয়ে জোরালো বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দু’পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়। উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে যায় এমনভাবে বিষয়গুলো রেজুলেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এদিকে উন্নত বিশ্বের মধ্যে এই রেজুলেশন নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে অনেক বিষয় নিয়ে মতবিরোধ ছিল। বিশেষ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভূমিকা নিয়ে এবং পরবর্তীতে মঙ্গলবার দু’পক্ষ সব বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছায়।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খলিলুর রহমান বলেন, ‘দর কষাকষি শেষ হওয়ার ফলে আগামী সপ্তাহে ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে এটি গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলো।’ এই রেজুলেশন সদস্য রাষ্ট্রের জন্য বাধ্যতামূলক না হলেও পরোক্ষভাবে উন্নত বিশ্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে তিনি জানান।

অ্যাফোর্ডাবিলিটি, ইক্যুয়িটি ও এক্সেস বা এই রেজুলেশনের অন্য কোনও ধারার বিষয়ে উন্নত বিশ্ব যদি তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে তবে উন্নয়নশীল দেশগুলো এটিকে রেফারেন্স পয়েন্ট হিসেবে নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে বলে সচিব। 

খলিলুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে বাংলাদেশ অত্যন্ত জোরালোভাবে অবস্থান তুলে ধরেছে এবং আমাদের প্রধান যে উদ্বেগের বিষয়গুলো ছিল সেটি দূর হয়েছে।’ যে খসড়াটি এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত আছে সেখানে বাংলাদেশের মতো নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার প্রয়োজন আছে সেটি স্বীকার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১৮ মে বক্তব্য দেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবার জন্য এবার বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ব্ক্তব্যে বাংলাদেশ কী করেছে এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে কী চায় সেটি তুলে ধরবে।’

প্রসঙ্গত, বিশ্ব স্বাস্থ্য় সংস্থায় তার দীর্ঘ দিন কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

 

/এসএসজেড/এসটি/

লাইভ

টপ