হাতিরঝিল সংলগ্ন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর ভবনটি ভাঙার জন্য আরও এক বছর সময় পেয়েছেন কর্তৃপক্ষ। মুচলেকায় থাকা তিনটি শর্তের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষের মুচলেকাটি গ্রহণ করেছেন। বিজিএমইএ-ভবন কর্তৃপক্ষের আইনজীবী ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার (২ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের আদেশের পর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মুচলেকায় তিনটি শর্ত উল্লেখ করেছিলাম। মুচলেকাতে বলেছিলাম, আমাদের এক বছর সময় দেওয়া হলে- (১).আমরা আর সময় চাইবো না, (২). আদালত যে আদেশ দেবেন তা মেনে চলবো এবং (৩). আদালতের দেওয়া সময় শেষে বিজিএমইএ-এর পরিচালনা পর্ষদে যারাই থাকবেন তারা ভবন ভাঙতে দায়বদ্ধ থাকবেন।’
এরপর তিনি বলেন, ‘আদালত আবেদনটি গ্রহণ করেছেন। এর ফলে ওই সময় পর্যন্ত ভবনে থাকতে কোন বাধা থাকছে না।’
এর আগে সোমবার সকালে (২ এপ্রিল) ভবন ভাঙতে বারবার সময় না চাওয়ার শর্ত সংক্রান্ত মুচলেকা গ্রহণ করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষকে এক বছর সময় দেন আপিল বিভাগ। বিজিএমইএ’র মুচলেকা গ্রহণ করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর ফলে ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত ওই ভবনে থাকতে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষের আর কোন বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।
প্রসঙ্গত, ২৭ মার্চ বিজিএমইএ’র আবেদনের ওপর শুনানি শেষ করেন আপিল বিভাগ। শুনানিতে আদালত বিজিএমইএ’র ভবন ভাঙতে বারবার সময় না চাওয়ার শর্তে একটি মুচলেকা জমা দিতে নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে ২৮ মার্চ মুচলেকা জমা দেয়। কিন্তু তা সংশোধন করে পুনরায় সোমবার (২ এপ্রিল) মুচলেকা দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ৮ এপ্রিল বিজিএমইএ’র ভবনটি ভাঙতে এর কর্তৃপক্ষকে সাত মাস সময় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। এরপরেও বিজিএমইএ’র পুনরায় ছয় মাস সময়ের আবেদন করেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর আদালত এ আদেশ দেন। চলতি বছরের ২৫ মার্চ তারা পুনরায় এক বছর সময় চেয়ে আবেদন করে।
আরও সংবাদ: মুচলেকা দিয়ে এক বছর সময় পেলো বিজিএমইএ








