৩০ তারিখ কেন্দ্রে আসুন, অধিকার ফিরিয়ে আনবো: ইশরাক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:৪৩আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:৫৭

নির্বাচনি প্রচারে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন (ছবি: ফোকাস বাংলা) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, ‘এই সরকার জনগণের সব অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। ভোটবিহীন এ সরকারের জনগণের কাছে কোনও জবাবদিহিতা না থাকায় দেশ যেমন নষ্ট হয়েছে, তেমনি ঢাকা শহরকেও নষ্ট করে দুনিয়ার সব থেকে দূষিত শহরে পরিণত করেছে। আপনারা শুধু ৩০ জানুয়ারি ভোটকেন্দ্রে আসুন। আমি আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনবো।’

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর কোতোয়ালি থানাধীন বাংলাবাজার চৌরাস্তা মোড় এলাকায় নবম দিনের মতো জনসংযোগ করার সময় তিনি এ কথা বলেন।

ইশরাক বলেন, ‘আমি গতকাল কদমতলী, শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী এলাকার বেহাল অবস্থা দেখেছি। এই চিত্র শুধু যাত্রাবাড়ী, কদমতলী অথবা শ্যামপুরেরই নয়। এটা পুরো ঢাকারই চিত্র। এর কারণ, বর্তমান ক্ষমতাসীনরা অনির্বাচিত। ভোটে নির্বাচিত হলে জনগণের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতা থাকে। অনির্বাচিত সরকার ও মেয়রের জবাবদিহিতা না থাকায় ঢাকার এই বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।’

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘সিটি নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে জনগণের জোয়ার উঠেছে। এই জোয়ারে সকারের সব চক্রান্ত ভেসে যাবে। নির্বাচিত হলে নগরবাসীর সমস্যা সমাধানে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবো।’

ইশরাক বলেন, ‘গত ১৩ বছরে ঢাকা ধ্বংস করা হয়েছে। বাস অনুপযোগী এই শহরকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান কাজ। আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াসহ ঢাকাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেবো। ক্লিন ঢাকা গড়ে তুলতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেবো।’

এসময় অন্যদের মধ্যে বিএনপির যুগ্মমহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, এসএম জিলানী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুব দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু তার গণসংযোগে অংশ নেন।



/এসএস/এফএস/
সম্পর্কিত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
থানার ভেতরে আটকে বিএনপি নেতাকে মারলো কারা?
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের