সরকারি ঘোষণা উপেক্ষা করেই চলছে কোচিং সেন্টার

এস এম আব্বাস
১৭ মার্চ ২০২০, ২২:২২আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২০, ২০:০৮

সরকারি ঘোষণা উপেক্ষা করেই চলছে কোচিং সেন্টার

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সে নির্দেশ উপেক্ষা করেই রাজধানীতে এখনও চলছে কোচিং সেন্টার। বিভিন্ন খ্যাতনামা স্কুলের শিক্ষকরাই মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কোচিং করিয়েছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে কোচিং করতে যাচ্ছেন। কেউ আবার কোচিং শেষে বাসায় ফিরছেন।

সিদ্ধেশ্বরী বইঘর গলিতে অনেক শিক্ষক রুম ভাড়া নিয়ে পড়ান। মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিপ্লব নামের একজন শিক্ষক কোচিং করাচ্ছেন। ভবনের গেটে শিক্ষার্থীদের জটলা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণার পরও তারা এখানে কী করছে—এমন প্রশ্ন করলে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘বিপ্লব স্যারের কোচিংয়ে যাচ্ছি।’

৩৭ সিদ্ধেশ্বরী লেনের ডা. রওশনারা গলির অ্যাম্বিশন কোচিং সেন্টারের মালিক রেজাউল করিম রেজা নিজেই মঙ্গলবার কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারের ঘোষণা সত্বেও কেন কোচিং করাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা না জেনে এসে পড়েছে। তাই আজ পড়ালাম। কাল থেকে কোচিং বন্ধ করে দেবো।’

বইঘর গলির ৬৪ নম্বর ভবনের নিচতলার একটি রুমে দুপুরে ছাত্রীদের কোচিং করতে দেখা গেছে। তবে রুমের বাইরে থেকে কে কোচিং করাচ্ছেন তা দেখা সম্ভব হয়নি। জানতে চাইলে বাসার ম্যানেজার খলিল বলেন, ‘আজ কোনও শিক্ষক পড়াননি।’ তাহলে এত শিক্ষার্থী কেন জড়ো হয়েছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘খোলা রুমে শিক্ষার্থীরা বসে থাকলেই কি কোচিং করানো হয়?’

বাসার ম্যানেজার খলিল জানান, ‘এই ভবন সামী স্যার, জহুরুল স্যার এবং ইয়াসমিন ম্যাডাম ভাড়া নিয়েছেন। তবে আজ তারা কোচিং করাননি।’

সিদ্ধেশ্বরীর খন্দকার গলিতে গিয়ে দেখা গেছে, গলির সব কোচিং সেন্টার খোলা। সেখানে শিক্ষার্থীদের জটলা দেখা যায়। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করলে তারা বলেন, ‘আতিক স্যার আমাদের কোচিং করিয়েছেন।’ স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব এলাকায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ এবং নটরডেম কলেজের শিক্ষকরা নিয়মিত কোচিং করান।

/এমআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী