X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

আনিসুল হকের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৪:১১

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রথম নির্বাচিত মেয়র আনিসুল হকের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর)। এ উপলক্ষে তার পরিবারের পাশাপাশি ডিএনসিসির পক্ষ থেকে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আনিসুল হকের ছেলে নাভিদুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা সকাল ৮টায় তার কবর জেয়ারত করেছি। বাবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, বাবা ছিন্নমূল শিশুদের ভালোবাসতেন। সে কারণে আমরা জাগো ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শিশুদের সঙ্গে কড়াইল বস্তিতে সময় দিয়েছি। তাদের নিয়ে দোয়া মিলাদ মাহফিল করেছি। এছাড়া সবুজ সপ্তাহ পালন করেছি। আমাদের লোকজন রাজধানীতে প্রায় তিন শতাধিক গাছ লাগিয়েছে। আগামী বছর এর সংখ্যা আরও বাড়াবো।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবারে লন্ডনে যান আনিসুল হক। সেখানে তিনি সেরিব্রাল ভাসকুলাইটিসে (মস্তিষ্কের রক্তনালির প্রদাহ) আক্রান্ত হন। ১৩ আগস্ট তাকে সেখানকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান স্বপ্নবাজ এই মেয়র।

রাজনীতিতে কোনও দলে নাম না লেখানো আনিসুল হক ২০১৫ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ডিএনসিসির মেয়র নির্বাচিত হন। রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও ‘স্মার্ট’ নগরী হিসেবে গড়ে তোলার বেশকিছু উদ্যোগ নিয়ে আলোচিত ও প্রশংসিত হন তিনি।

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনালের সামনের সড়ক দখলমুক্ত করতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ চালকদের ক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। পরে তার নেতৃত্বে ডিএনসিসি ওই সড়ক দখলমুক্ত করে। এ ঘটনায় তিনি রাতারাতি দেশজুড়ে জনপ্রিয়তা পান।

এছাড়া মেয়র নির্বাচিত হওয়ার এক বছরের মধ্যেই তিনি ঢাকা শহর থেকে সব বিলবোর্ড উচ্ছেদ করেন, যা সাধারণ নগরবাসীর কাছে ছিল অবিশ্বাস্য। শ্যামলী থেকে গাবতলী পর্যন্ত বিভিন্ন পরিবহনের গাড়ি রাস্তা দখলে রাখতো। ফলে এ পথে মানুষকে দীর্ঘসময় যানজটে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ঘোষণা দিয়েই তিনি শ্যামলী থেকে গাবতলী পর্যন্ত রাস্তা গতিশীল করে তোলেন।

বিভিন্ন এলাকার পার্কগুলো দখলদারদের কাছে চলে গিয়েছিল। আনিসুল হক একের পর এক সেসব পার্ক দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করেন। শহরের পথচারীদের জন্য আধুনিক টয়লেট নির্মাণ করেন। এজন্য মানুষের আস্থার জায়গা তৈরি হয় আনিসুল হককে ঘিরে।

গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকায় বিশেষ রঙের রিকশা এবং ‘ঢাকা চাকা’ নামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস সেবা চালু করেন আনিসুল হক। বিমানবন্দর সড়কে যানজট কমাতে মহাখালী থেকে গাজীপুর পর্যন্ত সড়কে ইউলুপ করার উদ্যোগ নেন তিনি।

এছাড়াও ঢাকার খালগুলো উদ্ধারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন আনিসুল হক। তার উদ্যোগেই বনানীর ২৭ নম্বরে যুদ্ধাপরাধী মোনায়েম খানের বাড়ি ‘বাগ এ মোনয়েম’ এর অবৈধ দখলে থাকা অংশ উদ্ধার করে সড়ক প্রশস্ত করা হয়।

/এসএস/ইউএস/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় সেশন শেষ করলো বাংলাদেশ  
ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় সেশন শেষ করলো বাংলাদেশ  
টিপু ও প্রীতি হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন ৫ জুলাই
টিপু ও প্রীতি হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন ৫ জুলাই
ময়লার ট্রাকের ধাক্কায় নিহত কবির খানের পরিবারের পাশে ডিএনসিসি
ময়লার ট্রাকের ধাক্কায় নিহত কবির খানের পরিবারের পাশে ডিএনসিসি
স্কুলছাত্র হত্যায় ১৭ কিশোরের সাত বছর ‘কারাদণ্ড’
স্কুলছাত্র হত্যায় ১৭ কিশোরের সাত বছর ‘কারাদণ্ড’
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত