কেরানীগঞ্জের মারুফ কাজী হত্যা মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর ও ঘাতকদের জামিন বাতিরে দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে নিহত মারুফের বড়ভাই মামুন কাজী বলেন, ২০২১ সালের ২২ মে নিজ বাসায় খুন হন মারুফ। তাকে ঘুমের মধ্যে হাত পা বেঁধে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আগের রাতে তার খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মারুফের মেয়ে সুকর্ণা কাজী (১১)। এ ঘটনার ঘাতক মারুফের স্ত্রী উর্মি ও ইমরান পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও তারা জামিনে বেরিয়ে মারুফের পরিবারকে নানা হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া মারুফের মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। মামুন জানান, ঊর্মি ও ইমরানের চার বছর ধরে পরকীয়া ছিল। সে সম্পর্ক জেনে ফেলাই কাল হয়েছে মারুফের। এ অবস্থায় মারুফের হত্যাকারীদের জামিন বাতিল করে মামলাটি দ্রুত বিচার আইনে স্থানান্তরিত করার দাবি জানান তিনি।
মামুন কাজী বলেন, ইতিমধ্যে হাইকোর্টে আসামিদের জামিন বাতিলের জন্য আপিল করা হয়েছে। এই মামলার প্রধান আসামি উর্মির জামিন বাতিল, অন্য আসামি ইমরান যাতে জামিন না পায় এবং মারুফের কন্যা সুকর্ণার জীবনের নিরাপত্তা দিতে প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মারুফের বাবা মো. মাসুম কাজী, বড়বোন রেহানা সুলতানা রেনু, ছোট মেয়ে সুকর্না কাজী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।









