ঢাকার বিভিন্ন আদালত ভবনে অগ্নি নির্বাপণের যন্ত্র ‘ফায়ার এক্সটিংগুইশার’ লাগানো রয়েছে। কিন্তু সবগুলো যন্ত্রই মেয়াদোত্তীর্ণ। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালত, মহানগর ও জেলা দায়রা জজ আদালত সবখানেই একই চিত্র। এছাড়াও আগুন থেকে বাঁচার জন্য যে রকম ব্যবস্থা থাকা দরকার, তার কোনোকিছুই নেই এই ভবনগুলোতে। অনুসন্ধান করে দেখা যায়, অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে পুরো আদালতপাড়া। ফলে যেকোনও কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা রয়েই যাচ্ছে।
ঢাকার অধস্তন আদালতে প্রতিদিন বিচারক, আইনজীবী, সেবাপ্রার্থীসহ হাজার হাজার মানুষের আসা-যাওয়া। গুরুত্বপূর্ণ সব মামলার নথি রয়েছে এখানে। এছাড়াও এই আদালতকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিভিন্ন কাজে আসেন এই আদালতপাড়ায়।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টার দিকে ঢাকার সিজেএম আদালত ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (সিএমএম) ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কেমন তা জানার জন্য তিন থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তা আর আলোর মুখ দেখেনি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিএমএম, সিজেএম, জেলা ও দায়রা, মহানগর দায়রা জজ আদালতের সব ভবনের অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র লাগানো রয়েছে। কয়েকটি তলায় এসব যন্ত্র খুলেও রাখা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যতগুলোর যন্ত্রের ওপর লেখা তারিখ প্রতিবেদক পরখ করেছেন, সবগুলোই মেয়াদোত্তীর্ণ। কোনোটির মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১১ সালে। আবার কোনোটির মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২০-২১ সালে। অনেক তলায় খুলে পড়ে আছে এই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র। এছড়া চার ভবনের কোনোটিতেই নেই ফায়ার ডিটেকশন (আগুন লাগা বুঝতে পারা) ও প্রটেকশন (আগুন থেকে রক্ষা) ব্যবস্থা। আন্ডারগ্রাউন্ডে পর্যাপ্ত পানি থাকা দরকার সেটাও নেই। ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবস্থা নেই। প্যানেল বোর্ড নেই যা আগুন লাগলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে সংকেত দেবে যাতে করে লোকজন নিরাপদে বের হতে পারবে।
ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জুবায়ের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা এই বিষয়ে বিচারকদের সঙ্গে অনেকবার কথা বলেছি। তারা বলেন, আমরা এসবের জন্য চাহিদা দেই। কিন্তু তা বাস্তবায়ন হতে হতে তারা বদলি হয়ে যান। কিন্তু এই বিষয়গুলো বাস্তবায়ন আর হয় না।
তিনি বলেন, এই আদালত পাড়ায় যদি কোনও অগ্নিকাণ্ড ঘটে কেমন ক্ষয়ক্ষতি হবে তা ধারণাই করা যায় না। এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসেন। গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথি রয়েছে এখানে। তাই বাংলা ট্রিবিউনের মাধ্যমে আমি বলতে চাই, সংশ্লিষ্ট যারা আছে তারা যেন দ্রুত ফায়ার এক্সটিংগুইশারগুলো পরিবর্তন করে পাশাপাশি আগুন নেভানোর জন্য যা যা প্রয়োজন তা যেন ব্যবস্থা করে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, দেখেছি অধস্তন আদালত ভবনগুলোতে ফায়ার এক্সটিংগুইশার লাগানো আছে। মেয়াদ আছে কিনা জানি না। তবে যদি মেয়াদ না থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট যারা আছেন তাদের উচিত এগুলো দ্রুত পরিবর্তন করে নতুন লাগানো দরকার। কারণ এখানে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আছে।
তিনি বলেন, শুধু এগুলোই নয়, কোনও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে যেন তা নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেই পরিমাণ যন্ত্রপাতি লাগানো দরকার। যা যা প্রয়োজন তার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা রাখা দরকার।
ঢাকা গণপূর্ত উপবিভাগ-৩ এর উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাসুদুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এটা দেখার জন্য আমাদের দুইটা ডিভিশন আছে। যেমন ফায়ার এর বিষয়টা দেখে ইলেকট্রনিক ডিভিশন। তারা এটার বিষয়ে বলতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) বেলা ৩টার দিকে ইলেকট্রনিক ডিভিশনে গিয়ে তাদের অফিস তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।
আদালতগুলোর কোথায় কী
সিএমএম আদালত
এই ভবনের নিচতলায় বিচারপ্রার্থীদের বসার স্থান, তথ্য কেন্দ্র, বিচারকদের গাড়ি রাখার স্থান, নন জি.আর (জেনারেল রেজিস্ট্রার) মটরযান, নন জি.আর ডি.এম.পি, এসি প্রসিকিউশনের বসার স্থান। দ্বিতীয় তলায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত -২৭ ও ২৮, জি.আর শাখা নারী ও শিশু, মানবপাচার, ডিসি প্রসিকিউটরের অফিস। তৃতীয় তলায় কনফারেন্স রুম ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার অফিস, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ ও ২, নেজারত জুডিশিয়াল মুন্সিখানা, নাজির, সহকারী নাজির, ডেসপাস, গ্রহণ, বিতরণ, সমন।
চতুর্থ তলায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ৩, ৪, ৫, ৬, দ্রুত বিচার আদালত-১। পঞ্চম তলায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৭, দ্রুত বিচার আদালত-২, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৭, দ্রুত বিচার আদালত-৩, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৯ ও ১০, নকলখানা।
ষষ্ঠ তলায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ১১, ১২, ১৩, ১৪। সপ্তম তলায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ১৫, ১৬, ১৭, ১৮। অষ্টম তলায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১৯, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২০, দ্রুত বিচার আদালত-৪, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২১, দ্রুত বিচার আদালত-৫, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২২। নবম তলায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২৩, ২৪, ২৫, ২৬। দশম তলায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত- ২৯, ৩০, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫ অবস্থিত।
সিজেএম আদালত
সিজেএম ভবনের নিচতলায় পার্কিং, দ্বিতীয় তলায় নেজারত শাখা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এ ও শাখা), রেকর্ড রুম, সাক্ষী সেল ও ইনচার্জ হাজতখানা ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের অফিস। তৃতীয় তলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, হিসাব শাখা, স্টেনোগ্রাফার। চতুর্থ তলায় ঢাকা মেট্রোর সব জি আর সেকশন, রিসিভ, ডেসপাস, প্রসিকিউশন, ডিসি প্রসিকিউশন অফিস ও প্রশাসনিক শাখা, নামাজ ও অজুখানা।
পঞ্চম তলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের জি.আর শাখা, নন জি.আর (ঢাকা জেলার সব থানা), পুলিশ কোর্ড রুম। কোর্ট ইন্সপেক্টর অফিস (প্রশাসন) ঢাকা জেলা। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১। ষষ্ঠ তলায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩। সপ্তম তলায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪। অষ্টম তলায় সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২৯, ৩৬, ৩০, ৩১। নবম তলায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত - ৩২, ৩৭, ৩৩, ৩৪, ৩৫ অবস্থিত।
জেলা ও দায়রা জজ আদালত
জেলা ও দায়রা জজ (পুরাতন ভবন) আদালত ভবনের নিচ তলায় চতুর্থ অতিরিক্ত সহকারী জজ আদালত, নেজারত শাখা-জেলা জজ, হিসাব রক্ষণ শাখা, জেলা জজ সহকারী (সাবেক ১৪তম), আইন কর্মকর্তা (জিপি) অফিস। দ্বিতীয় তলায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪, সিনিয়র সহকারী জজ সপ্তম আদালত (নবাবগঞ্জ), জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী ও অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল, পঞ্চম অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালত, (সাবেক ১৫তম), পরিবেশ আদালত, বিশেষ জজ আদালত-৬।
তৃতীয় তলায় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৭, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৮, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সপ্তম আদালত, আরবিট্রেশন আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২২। প্রথম অতিরিক্ত সহকারী জজ আদালত (সাবেক ১১তম সহকারী জজ), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৪।
চতুর্থ তলায় যুগ্ম জেলা জজ ও অর্থঋণ আদালত-২, যুগ্ম জেলা জজ পঞ্চম আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২৪, যুগ্ম জেলা জজ চতুর্থ আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১০, যুগ্ম জেলা জজ তৃতীয় আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৯।
পঞ্চম তলায় যুগ্ম জেলা জজ ও অর্থঋণ আদালত নং-৩, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮। ষষ্ঠ তলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ৬, অর্থঋণ আদালত-৪, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭, সাইবার ট্রাইব্যুনাল অবস্থিত।
মহানগর দায়রা জজ আদালত
মহানগর দায়রা জজ আদালত ভবনের নিচতলায় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত, ঢাকা মেট্রোপলিটন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল- ৭, যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ ষষ্ঠ আদালত, ঢাকা/ মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১২, যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ তৃতীয় আদালত, ঢাকা মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৮, যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ সপ্তম আদালত, ঢাকা মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৩, হিসাবরক্ষণ শাখা ও গারদখানা অবস্থিত।
দ্বিতীয় তলায় মহানগর দায়রা জজ আদালত, ঢাকা মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল- ১, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ চতুর্থ আদালত, ঢাকা/ মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৫, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালত, ঢাকা/ মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল- ২, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তৃতীয় আদালত, ঢাকা/ মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল- ৪, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত, ঢাকা/ মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৩, নেজারত ও সেরেস্তা এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহানগর দায়রা জজ।
তৃতীয় তলায় বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল- ১, যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ চতুর্থ আদালত, ঢাকা/মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল- ৯, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২, অনুলিপি শাখা মহানগর দায়রা জজ আদালত। চতুর্থ তলায় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ পঞ্চম আদালত, ঢাকা/মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল- ১০, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ষষ্ঠ আদালত, ঢাকা/মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল- ১৪, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সপ্তম আদালত, ঢাকা/মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল- ১৫, যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালত, ঢাকা/মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১১, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ পঞ্চম আদালত, ঢাকা/মেট্রো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৬।
পঞ্চম তলায় বিশেষ জজ আদালত-৫, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ অষ্টম আদালত, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৬, পরিবেশ আপিল আদালত। ষষ্ঠ তলায় বিশেষ জজ আদালত-১ ঢাকা, বিশেষ জজ আদালত-২ ঢাকা, বিশেষ জজ আদালত-৩, বিশেষ জজ আদালত-৪, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৫, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯।
ছবি: প্রতিবেদক।








