ঢাবির দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সামাজিকমাধ্যমে ‘বিদ্বেষ ছড়ানোয়’ শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

ঢাবি প্রতিনিধি
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৪:৪৪আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৪:৪৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন তারা।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ঢাবির সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ওই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষকদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাবেক ভিপি ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী তাসনিম আফরোজ ইমি বলেন, ‘আমাদের দেশে এখনও ফ্যাসিবাদের উপাদান রয়ে গেছে। মবের তাণ্ডব ইতোমধ্যে ফ্যাসিবাদে রূপ নিয়েছে। তার একটি উদাহরণ হলো, সামিনা লুৎফা ম্যাম ও কামরুল হাসান মামুন স্যারের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে আক্রমণ করা।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা সব সময় আমাদের পাশে থেকেছেন। গত ১৫ বছরে তারা আমাদের পাশে থেকেছেন, আমরা সবই জানি। যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, আমাদের শিক্ষকদের নিপীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। কেন বারবার তাদের সামাজিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা হবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মতাদর্শের সঙ্গে আরেকজনের মতাদর্শ নাই মিলতে পারে। এতে আমি তাকে এড়িয়ে চলতে পারি। কিন্তু তার ওপর আক্রমণ করতে পারি না। আমাদের বেসিক বিষয়গুলো নিয়ে সচেতন হতে হবে।’

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রায়হান আহমেদ বলেন, ‘আমরা এখানে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে দাঁড়াইনি। আমাদের শিক্ষকদের সঙ্গে যে অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে তার প্রতিবাদে এখানে হাজির হয়েছি। আমরা এ ধরনের বিদ্বেষমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই। রাষ্ট্রের কাছে আমাদের শিক্ষকদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি।’

/আরকে/
সম্পর্কিত
এবার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হেফাজতের
ছয় দফা দাবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মৌন মানববন্ধন
ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর পুলিশের গুলি, জামায়াতের নিন্দা
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের