‘স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি এনজিও প্রতিষ্ঠানগুলো’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট  
০৭ অক্টোবর ২০২৪, ১৬:৫৬আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:০৮

বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে দুর্নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক অদক্ষতা ও জোর করে চাপিয়ে দেওয়া নীতির ফলে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি দেশি-বিদেশি বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী বা এনজিও প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই আগামীতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি বন্ধের দাবি এনজিওগুলোর।

সোমবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির সঙ্গে বৈঠকে এনজিও নেতারা এসব কথা তুলে ধরেন।

তারা বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে এর মধ্যে বড় অংশই অবদান রেখেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো। কিন্তু তাদের কোনও স্বীকৃতি মেলেনি। এছাড়া কাজ করতে গিয়ে সরকারি কর্মকর্তা, সংস্থা এবং কখনও কখনও সরকারি নীতিমালার কারণে বাধাগ্রস্ত হতে হয়।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনের শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘এনজিও প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন যে, উন্নয়নে বড় অংশীদার হলেও তাদের প্রতিনিধিত্ব থাকে না। এর ফলে তারা বৈষম্যের শিকার হন বলে মনে করেন। বর্তমান অবস্থায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে মানুষকে কষ্টের হাত থেকে বাঁচাতে হলে বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা জোরদার করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এনজিও প্রতিনিধিরা আরও জানিয়েছেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকরভাবে কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বড় বাধায় পড়ে দুর্নীতির কারণে। সরকারি প্রাতিষ্ঠানের বাধাও রয়েছে। ডিসি, সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারি ব্যবস্থাপনাকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে।’

জ্যেষ্ঠ এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘যেকোনও কাজের উৎসাহ না দিলে সেই কাজ ভালো হয় না। এনজিওরা উন্নয়নে অনেক অবদান রাখলেও তাদের কোনও স্বীকৃতি ছিল না। ফলে দেশের মানুষও তাদের অবদান সম্পর্কে জানতে পারেনি।’

দেবপ্রিয় আরও বলেন, ‘পাশাপাশি টাকা লেনদেনের ডিজিটাল পদ্ধতি, ভাতা প্রদান এবং উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন সরকারি আর্থিক সেবা প্রদানে যে দুর্নীতি আছে সেগুলো দূর করতে হবে। এক কথায় সরকারি ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ, কার্যকর ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।’

/জেডএ/আরআইজে/
সম্পর্কিত
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
এআইকে ফাঁকি দিতে নয়, ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান
একটি গোষ্ঠী সরকার ও বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রিজভী
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী