পাঁচটি গ্রেডে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত নিম্নতম মজুরি গ্রেড অনুযায়ী বাস্তবায়ন করাসহ ৩টি সুপারিশ জানিয়েছে ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব সুপারিশ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক। তিনি বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন মোতাবেক ২১ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ থেকেই এই নিম্নতম মজুরি পাওয়া বাংলাদেশের ট্যানারি শিল্পে কর্মরত সব শ্রমিক ও কর্মচারীদের আইনগত অধিকার। কিন্তু নিম্নতম মজুরি ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই মালিকপক্ষের অনুরোধে ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ও কারখানা পর্যায়ের নেতারা কয়েকবার বৈঠক করেছেন। বৈঠকে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়নের জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু মালিকপক্ষ তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে সরকার ঘোষিত পাঁচটি গ্রেড এ নির্দেশিত মজুরি বাস্তবায়ন করার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করেছে।
তিনি আরও বলেন, মালিকপক্ষের গড়িমসির কারণে ট্যানারি শিল্পের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য সরকার ঘোষিত নতুন মজুরি কাঠামো অনুযায়ী আইনগত প্রাপ্য বেতন পেতে অনর্থক বিলম্ব হচ্ছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতি ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের তিনটি সুপারিশ করেছেন।
সুপারিশ তিনটি হলো—
১. পাঁচটি গ্রেডে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত নিম্নতম মজুরি গ্রেড অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে হবে। গ্রেড কমানো বা একীভূত করার মতো বেআইনি উদ্যোগের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২. নির্দিষ্ট গ্রেডে কাজ করেও যে সব ক্ষেত্রে শ্রমিকরা গ্রেড অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন না, সে সব শ্রমিকদের গ্রেড অনুযায়ী বেতন নিশ্চিত করার জন্য ডিআইএফই'র পক্ষ থেকে পরিদর্শন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
৩. আইন বহির্ভূতভাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে শ্রমিকদেরকে যে কোনও ধরণের কাজে নিযুক্ত করা নিষিদ্ধ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।









