‘আহমদ শফীকে চাপ দিয়ে শোকরানা মাহফিল করিয়েছিলেন শেখ হাসিনার সামরিক সচিব’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৫ মার্চ ২০২৫, ২০:৪৪আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৫, ২০:৪৪

হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেছেন, জীবনের অনেক বড় আশা ছিল শাপলার শহীদ পরিবারকে নিযে বসবো।  কেননা, আপনারা জানেন, শেখ হাসিনা বলেছিলেন— শাপলাতে কিছুই হয়নি। আপনারা জানেন, আহমদ শফী সাহেবসহ সবাইকে চাপ দিয়ে শোকরানা মাহফিল করিয়ে শেখ হাসিনার সামরিক সচিব হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘এতদিন কথা বলতে পারিনি। আমরা নাকি কোরআন পুড়িয়েছি! আমরা নির্বাচনের আগে হাসিনা ও তার দোসরদের আগে বিচার চাই।’

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া সাত মসজিদ মাদ্রাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক ইফতার মাহফিলে জুনায়েদ আল হাবিব এসব কথা বলেন।

হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বর ও ২০২১ সালে মোদিবিরোধী আন্দোলনে শাহাদাতবরণকারী হেফাজতে ইসলামের শহীদ পরিবারের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মহানগর সাধারণ সম্পাদক  মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকের পরিচালনায় ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন জুনায়েদ আল হাবিব।

শহীদের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন, শহীদ হাফেজ মাওলানা আনোয়ার শাহ এর পিতা আবুল হাসনাত,শহীদ ঈশা হক আলীর ছেলে আবু সাইদ, শহীদ খালিদ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহর ভাই নাজমুল আলম, শহীদ মোহাম্মদ আকবরের ভাই মোহাম্মদ মনির হোসাইন, শহীদ মাওলানা ইউনুস আলীর পিতা মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন।

বক্তব্য রাখেন, নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী,  যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী,  মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা জালালুদ্দিন, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা ফয়সাল আহমাদ, মাওলানা আফসার মাহমুদ, মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা মুফতি শরিফুল্লাহ, মাওলানা এহসানুল হক, মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ, মুফতি মোহাম্মাদুল্লাহ প্রমূখ।

স্বাগত বক্তব্যে মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেন, ‘শহীদ ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারের পাশে আমরা আছি।  সামনে সবাইকে নিয়ে বড় আয়োজন করবো। যাদের মামলা আছে তাদেরকেও সহযোগিতা করবো।’

/এসটিএস/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
এবার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হেফাজতের
হেফাজতে ইসলামের মধ্যে কোনও বিভক্তি নেই: মহিবুল্লাহ বাবুনগরী
শাপলা চত্বরের মামলায় দীপু মনি-রুপা-বাবুকে গ্রেফতার দেখালেন ট্রাইব্যুনাল
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের