বিদেশে উচ্চশিক্ষার নামে প্রতারণা: বিএসবির বাশারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট 
১৫ জুলাই ২০২৫, ১২:৪৯আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৫, ১২:৪৯

বিদেশে উচ্চশিক্ষার নামে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা প্রতারণার কারণে বিএসবি গ্লোবালের খায়রুল বাশারের বিরুদ্ধে আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগীরা। 

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সামনে এ মানববন্ধন করেছেন প্রায় কয়েকশ ভুক্তভোগী। 

এদিন সকাল ৯টা থেকে আদালতের প্রাঙ্গণে জড়ো হন ভুক্তভোগীরা। এরপর সকাল ১০টা থেকে মানববন্ধন শুরু করেন। এসময় কয়েকজন বাশারের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। বাশারের দেওয়া বিভিন্ন ভুয়া চেকের কাগজ দেখান। পরে হুঁশিয়ার সাবধান, হই হই রই রই বাশার তুই গেলি কই। শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে টাল বাহানা, শিক্ষা নিয়ে প্রতারণা, চলবে না, চলবে না। বিচার চাই, বিচার চাই, বাশারের বিচার চাই বলে স্লোগান দেন। 

শাহজাহান সরকার নামে একজন অভিভাবক বলেন, আমাদের সন্তানেরা ক্যামব্রিয়ান স্কুল ও কলেজ এবং বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার বাহার ও তার নিয়োগ করা ৩০ থেকে ৩৫ জন কাউন্সিলরের চটকদার বিজ্ঞাপন ও নানাবিধ প্রলোভনে পাঁচ বৎসরের ভিসাসহ উচ্চ শিক্ষায় অর্জনের জন্য কানাডা, আমেরিকা, লন্ডন, ইতালীসহ ইউরোপের দেশগুলোতে পাঠানোর নামে দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ভুয়া অফার লেটার দেখিয়ে চার হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রতারণা ও ধোঁকা দিয়ে নিয়েছে। আমাদের ইউরোপীয় কোন দেশে পাঠায়নি এবং টাকা দেওয়ার নামে একাধিক চুক্তি করা সত্ত্বেও টাকা ফেরত দেয়নি।

তাহমিনা আক্তার মুন্নী নামে একজন অভিভাবক বলেন, আমরা খায়রুল বাশার ও তার গংদের বিরুদ্ধে অনেকগুলো মামলা করেছি। অসংখ্য ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছে। কিন্তু মামলার পরপরই আসামিদের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর হামলা করে। গত ২৩ আগস্ট টাকা দেওয়ার কথা বলে বিএসবি অফিসের সামনে আমাদের ওপরে ভয়ানক সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অত্যাচার ও ব্যাপক মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। আমরা তার বিচার চাই। 

উল্লেখ্য, সোমবার সকালে মানিলন্ডারিং মামলায় বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান লায়ন এম.কে খায়রুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ তাকে আদালতে আনা হবে।

/এনএইচ/এমকেএইচ/
সম্পর্কিত
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
রামিসা হত্যা: সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ, লঘুদণ্ডের দাবি আসামিপক্ষের
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে