সরকারের নির্দেশনা পেলেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫টি বোয়িং কেনার কাজ শুরু করতে চায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারালাইন্স। মূলত সরকারের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায় রয়েছে বিমান। বাণিজ্য সচিবের এ সংক্রান্ত ঘোষণার প্রেক্ষিতে এমন তথ্যই জানিয়েছে বিমান।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলেইন্সের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা আল মাসুদ খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘বিমানের এয়ারক্রাফটের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সরকারের কাছ থেকে বোয়িং কেনার বিষয়ে অফিসিয়াল নির্দেশ আমাদের কাছে আসেনি। সরকারের নির্দেশনা পেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এয়ারক্রাফট ক্রয়, টেকনিক্যাল স্পেশিফিকেশন, আর্থিক এরেঞ্জমেন্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিমানের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনক্রমে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা বড় অঙ্কের শুল্ক কমানোর জন্য আলোচনার মধ্যে মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার ক্রয়াদেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান।
এ পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো— যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা, যাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বাড়তি ৩৫ শতাংশ শুল্কের বোঝা থেকে বাংলাদেশকে রেহাই পায়।
গত বরিবার (২০ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমাদের ইমিডিয়েট কিছু এয়ারক্রাফট দরকার, আমাদের দুয়েক বছরের মধ্যে দরকার, হয়তো আমরা দুয়েক বছরের মধ্যে কিছু পাব। আমাদের বিমানের তো বহর বাড়াতে হবে। সেই পরিকল্পনা সরকারের বেশ আগে থেকেই ছিল।’’
সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে সচিব বলেন, “বোয়িংয়ের ব্যবসাটা কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সরকার করে না। বোয়িং কোম্পানি করে। আমরা ২৫টি বোয়িং কেনার জন্য অর্ডার দিয়েছি। এরকম অর্ডার ভারত দিয়েছে ১০০টা। ভিয়েতনাম দিয়েছে ১০০টা, ইন্দোনেশিয়া দিয়েছে ৫০টা। এরকম বিভিন্ন দেশ দিয়েছে।”
প্রসঙ্গত, বিমানের বহরের এখন ২১টি এয়ারক্রাফটের মধ্যে ১৬টি বোয়িং। এর মধ্যে ছয়টি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার, চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর আর ছয়টি ন্যারোবডির বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ রয়েছে। এর বাইরে বিমানের বহরে স্বল্প দূরত্বের রুটে চলাচল উপেযোগী পাঁচটি ড্যাশ-৮০০ উড়োজাহাজ রয়েছে।








