রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানাসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের করা পৃথক ছয় মামলায় চার্জগঠনের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর ফলে মামলাগুলোর বিচার অনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল আলম এবং ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালত পৃথক ছয় মামলায় চার্জগঠনের আদেশ দেন। চার্জগঠন শুনানির সময়ে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে আগামী ১১ ও ১৩ আগস্ট সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন পৃথক দুই আদালত।
দুদক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছে, রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপ-পরিচালক হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।
প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ৬ মামলা দায়ের করে দুদক। সম্প্রতি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে সবগুলো মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে মহানগর আদালত থেকে গত ২০ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ ও ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ তিনটি করে মোট ছয়টি মামলা বিচারের পাঠানো হয়।
আজ চার্জ গঠনের দিন ধার্য ছিল। দুটি আদালত ছয়টি মামলার চার্জগঠন করেন। একইসঙ্গে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।









