যাত্রাবাড়ীতে চুরির অভিযোগে কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৪৩আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৪৩

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় মো. বাপ্পি (১৫) নামের এক কিশোরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে বাইতুল রহমত নুরানি মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদুজ্জামান জুয়েল। তিনি জানান, বুধবার রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নির্যাতনের জখম রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘নিহত ঐ কিশোরকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

মো. আসাদুজ্জামান জুয়েল আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত নামা ৬/৭ জনসহ ১২/১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ফৌজিয়া রওশন আক্তার প্রীতি নামে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

নিহতের বড় ভাই মো. পারভেজ বলেন, ‘মো. বাপ্পি মা পারুল বেগমের সঙ্গে একটি কারখানায় শ্রমিক হিসাবে কাজ করতো। শেখপাড়া এলাকায় এক নারীর বাসা থেকে চুরি করেছে অভিযোগ দিয়ে মঙ্গলবার স্থানীয় মাদক বিক্রেতা কাপশি রাসেল, মোল্লা শুভ ও সাকিব তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর পারুল বেগমের বাসায় তাকে আটকে রাখে। সেখানে ওই নারী এবং তার স্বজনরা বাপ্পির ওপর নির্যাতন চালায়, যা চলে বুধবার পর্যন্ত। বুধবার সন্ধ্যার পর বাপ্পিকে পাশের বড় বাড়ির গলিতে তারা ফেলে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পাই। পরে পুলিশ রাত ৩টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।’

বাপ্পি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। সে ধোলাইপাড় যুক্তিবাদী গলির শ্যামপুর এলাকায় থেকে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো।

/এআইবি/এবি/এমএইচআর/
সম্পর্কিত
‘আমি মাদক সেবন করি না’ বলায় মারধরের অভিযোগ, রাজধানীতে তরুণের মৃত্যু
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নারীর মৃত্যু, এখনও ঝুঁকিতে হাজারো পরিবার
ঘরের আলমারিতে শিশুর লাশ, অভিযুক্ত নারীকে পিটিয়ে হত্যা
সর্বশেষ খবর
দেশের ১৯ জেলায় হতে পারে বজ্রবৃষ্টি 
দেশের ১৯ জেলায় হতে পারে বজ্রবৃষ্টি 
ছাত্রজীবনেই শক্তিশালী পেশাগত পরিচয় গড়ে তুলবেন কীভাবে
ছাত্রজীবনেই শক্তিশালী পেশাগত পরিচয় গড়ে তুলবেন কীভাবে
ফাইনাল হেরে মাঠেই হাতাহাতি, নিষিদ্ধ হতে পারেন আর্জেন্টিনার একাধিক তারকা
ফাইনাল হেরে মাঠেই হাতাহাতি, নিষিদ্ধ হতে পারেন আর্জেন্টিনার একাধিক তারকা
বার্নহ্যামের মন্ত্রিসভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্ট্রিটিং
বার্নহ্যামের মন্ত্রিসভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্ট্রিটিং
সর্বাধিক পঠিত
পরবর্তী ২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক কারা, জেনে নিন সূচি ও নতুন ফরম্যাট
পরবর্তী ২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক কারা, জেনে নিন সূচি ও নতুন ফরম্যাট
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার
সাবান-আইসক্রিমসহ চার প্রতিষ্ঠানের ৮ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ 
সাবান-আইসক্রিমসহ চার প্রতিষ্ঠানের ৮ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ 
চল্লিশে বুড়িয়ে যাওয়ার দিন শেষ, এখন ‘প্রাইম টাইম’
চল্লিশে বুড়িয়ে যাওয়ার দিন শেষ, এখন ‘প্রাইম টাইম’
মিত্রদের নিয়ে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ: কারা যাচ্ছেন, কারা যাচ্ছেন না
মিত্রদের নিয়ে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ: কারা যাচ্ছেন, কারা যাচ্ছেন না