প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) সচিবালয়ে যোগ দিতে এসে ধরা পড়েছেন মো. রিপন হোসেন নামে এক যুবক। সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিপিএসসি সচিবালয়ের অফিস সহায়ক পদে যোগ দিতে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় তার বিষয়ে সন্দেহ হয় কর্মকর্তাদের। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে বিপিএসসি। পরে তাকে আটক করে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এজাহারও দায়ের করা হয়েছে।
বিপিএসসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার চাকরিতে যোগ দিতে কর্ম কমিশন সচিবালয়ে আসেন রিপন হোসেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার পরিচয় যাচাই করেন। প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তার বর্তমান চেহারা এবং মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি রেকর্ড মিলিয়ে দেখার সময় তার পরিচয় নিয়ে গুরুতর সন্দেহ দেখা দেয়।
এতে আরও বলা হয়, বিষয়টি উপপরিচালক শোভন সমাদ্দারকে জানানো হলে তিনি উপসচিব ওয়াসিমুল বারীকে অবহিত করেন। পরে কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদ করলে অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ পায়।
বিপিএসসি জানিয়েছে, পরে রিপন হোসেন নিজেই স্বীকার করেন, অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক—কোনও পরীক্ষাতেই তিনি নিজে অংশ নেননি।
রিপন হোসেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বাহা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিপিএসসি সচিবালয়ের অফিস সহায়ক পদের প্রার্থী ছিলেন। তার রোল নম্বর ২১০১১৮৭। তাকে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।









