বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তান সরকারের আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ফুললি ফান্ডেড’ (সম্পূর্ণ অর্থায়িত) বৃত্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বৃত্তির আবেদন, পরীক্ষা ও বাছাই প্রক্রিয়া শেষে মাস্টার্সে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের দেওয়া অফার লেটারে মিলছে না সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। শুধু টিউশন ফি ও আবাসন খরচ বহনের প্রস্তাব দিয়ে খাবার, মাসিক ভাতা, যাতায়াত, বিমান ভাড়াসহ অন্য সুবিধা বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পাকিস্তান হাইকমিশন বলছে, আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপে পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। এই পদ্ধতি স্নাতক শিক্ষার্থীদের থেকে মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে। তবে, এই প্রোগ্রামের অধীনে সমস্ত যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সমতুল্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
হাইকমিশন বলছে, স্কলারশিপ প্রোগ্রামটি পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোরের একটি মূল উপাদান, যা উপপ্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ ইসহাক দার ২০২৫ সালের আগস্টে ঢাকা সফরের সময় পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষাগত সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য ঘোষণা করেছিলেন। প্রোগ্রামটি সফলভাবে তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে, কারণ প্রথম ব্যাচের অংশ হিসেবে গত বছর ৭৪ জন শিক্ষার্থী পাকিস্তানের শীর্ষ র্যাংকিংয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছে। দ্বিতীয় ব্যাচের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২৫ জন স্নাতক প্রোগ্রামের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছে, ২২ জন মাস্টার্স এবং ১৪ জন পিএইচডির জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছে। এ সব শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পরেই পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করবে। আমরা ভ্রাতৃপ্রতিম জাতি বাংলাদেশের সঙ্গে শিক্ষা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগসহ সব ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।









