রাজধানীতে পৃথক দুটি ঘটনায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন সোহেল (৩০) ও ফাহিম (২৬) এবং গুলিস্তানে মো. আলী আজম (৫০)।
পরে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা পর রাজধানীর সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার শিকার সোহেল ও ফাহিম নামের দুই যুবক মাছ বিক্রেতা। তাদের বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর থেকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতাল নেওয়া হয়। তারা দু'জন যাত্রাবাড়ীর কালাম এন্টারপ্রাইজ নামে মাছের আড়তে কাজ করেন।
মাছের আড়তের মালিক আবুল কালাম জানান, তারা যাত্রাবাড়ীর মাছের আড়ৎ থেকে মাছ বিক্রি করে শিকড় পরিবহনে করে কারওয়ান বাজারে তার ( আবুল কালাম) আরেক আড়তে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথিমধ্যে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পরে ওই বাসে মিরপুরে চলে যায়। সেখান থেকে সংবাদ পেয়ে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, তাদের একজনের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। তাদের কাছে মোট কী পরিমাণ টাকা ছিল তা হিসাব-নিকাশের পর বলা যাবে কত টাকা খোয়া গেছে।
অন্যদিকে গুলিস্তানে শ্রাবন পরিবহন থেকে বিকালে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মো. আলী আজমকে। পরে সেখান থেকে সন্ধ্যায় ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তার দুঃসম্পর্কের ভাগনে মো. মানিক বলেন, আলী আজম কদমতলী রায়েরবাগ এলাকার এমএস ইলাস্টিক কোম্পানির ম্যানেজার। তিনি সদরঘাট এলাকায় থেকে টাকা কালেকশন করে শ্রাবন পরিবহনে কারখানায় ফেরার পথে বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে অচেতন হয়ে যান। পরে বাস থেকে তার মুঠোফোন দিয়ে জনৈক ব্যক্তি তার অচেতনের সংবাদ দেন। পরে তাকে গুলিস্তান এলাকা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তার কাছে থাকা নগদ ৭৩ হাজার টাকা খোয়া গেছে বলেও জানান মো. মানিক।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, পৃথক সময়ে তিন জন ঢামেক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে সেখান থেকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে মিডফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তারা।








