রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে আন্দোলনরত সাত কলেজের আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। রবিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে আন্দোলনরত অবস্থায় তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেকে) হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য জানান।
ঢামেকের জরুরি বিভাগে আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. আলাউদ্দিন জানান, তাদের মধ্যে ঢাকা কলেজের শাহরিয়ার মাহমুদ অপু (২৪) এবং কবি নজরুল সরকারি কলেজের তাকিবুর রহমান বাপ্পিকে (২৫) মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অসুস্থ শিক্ষার্থীরা কিছু খেয়েছেন কিনা তা জানা যায়নি। তারা কিছু বলেননি। তাই তাদের পাকস্থলী ওয়াস না করেই মেডিসিন বিভাগে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা এক শিক্ষার্থী জানান, ওই দুজন হেক্সিসল খেয়েছে। তাদের মুখে গন্ধ পাওয়া গেছে। বাকিদের জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তারা হলেন– বেগম বদরুন্নেসা কলেজের সোনিয়া আক্তার (২৩), সরকারি কবি নজরুল কলেজের সাদেক বাপ্পি (২৪), সরকারি তিতুমীর কলেজের মাহাবুব প্লাবন (২৫), সরকারি বাংলা কলেজের রাজিব (২৩), ঢাকা কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ইয়াসিন আলী সাগর (২৩) এবং কবি নজরুল কলেজের হিসাববিজ্ঞান চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মরিয়ম (২২)।
অসুস্থ ইয়াসিন আলী সাগর বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘আমাদের এক দফা এক দাবি। ছয় থেকে ৯ মাসে অধিভুক্ত কলেজগুলোর ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ৫৬ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা। দীর্ঘদিন পর ফল প্রকাশের কারণে সিজিপিএ শর্ত শিথিল করে মানোন্নয়নের মাধ্যমে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন দিতে হবে। আমাদের বিভিন্নভাবে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তবে তারা কোনও প্রতিশ্রুতি রাখেননি। আন্দোলনে গিয়ে আমাদের অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। কেউ আজ জীবন বিপন্ন করতে হেক্সিসল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে আনার সময় বমি ও গন্ধে নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়ি। এছাড়াও অনেকেই আন্দোলনে অসুস্থ হয়ে পড়েন।’
বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘অসুস্থ শিক্ষার্থীরা জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।’









