রাজধানীর মুগদা ও সবুজবাগে পৃথক ঘটনায় কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তারা হলেন– মুগদা মিতু রানী দাস (২৮) এবং সবুজবাগে আয়েশা বেগম (২৫)।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ এনামুল মুগদায় বলেন, ‘বুধবার সকালে কুয়েত প্রবাসীর সঞ্জিদ চন্দ্র দাসের স্ত্রী মিতু রানী তার ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে স্কুলে পাঠান। দাদির সঙ্গে স্কুলে যায় তার মেয়ে। এ সময় ফ্যানের সঙ্গে কাপড়া পেঁচিয়ে ফাঁস নেন মিতু। তার শাশুড়ি বাসায় এসে দরজা বন্ধ পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে পরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে মুগদার দক্ষিণ মান্ডার ওই বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
চাঁদপুর সদরের নাজিরপাড়া গ্রামের নারায়ণ চন্দ্র দাসের মেয়ে মিতু।
সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুবিনা আউয়াল জানান, পারিবারিক কলহের কারণে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেন ওই নারী। সবুজবাগের আহামেদ বাগের বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
আয়েশা বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার হাওলাদার বাড়ির মো. বেলাল হোসেনের মেয়ে।








