ফিটনেস সার্টিফিকেট থাকলেও বাস্তবে চলাচলের অনুপযোগী বাস পেলে সরাসরি রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না। এসব বাস নির্দিষ্ট গ্যারেজে মেরামতের পর ডিএমপির কাছ থেকে ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আবার রাস্তায় নামতে পারবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চলাকালে লক্কড়-ঝক্কড় গণপরিবহন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আনিছুর রহমান জানান, ফিটনেস সার্টিফিকেট থাকলেও বাস্তবে যেসব গাড়ির অবস্থা ভালো নয়, সেগুলো ধরে রাখার মতো পুলিশের পর্যাপ্ত জায়গা নেই। তাই এসব গাড়ি সরাসরি বাস মালিকের পছন্দের নির্দিষ্ট গ্যারেজে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ওটা বাস মালিকের ইচ্ছা, মালিক কোন গ্যারেজে নেবে, সেটা তার ইচ্ছা। কিন্তু আমরা গাড়ির ছবি তুলে রাখছি। গাড়িগুলো ঠিকঠাক হলে আমাদের কাছ থেকে ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার পরে সে রাস্তায় নামছে।’
অর্থাৎ, জীর্ণ অবস্থায় ধরা পড়া বাস মেরামত করে উপযোগী করা হলে মালিককে নতুন করে পুলিশের ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে। ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই বাসটি রাস্তায় চলাচল করতে পারবে।
তবে যেসব গাড়ির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে বা ইকোনমিক লাইফ শেষ হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে মেরামত করে রাস্তায় ফেরার সুযোগ নেই। আনিছুর রহমান বলেন, ‘এভাবে এরই মধ্যে আমরা আনুমানিক ৪০টি গাড়ি, যেগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং যেগুলোর ইকোনমিক লাইফ শেষ, সেগুলো বিআরটিএর কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইকোনমিক লাইফ শেষ হয়ে যাওয়া কোনও গাড়ি রাস্তায় পাওয়া গেলে সেটি ধরে বিআরটিএর কাছে দেওয়া হবে। এরপর বিআরটিএর স্ক্র্যাপ নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’









