পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য: পরিবেশ উপদেষ্টা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৭:৪৩আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৭:৪৩

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও আইনগত কাঠামোতে সংস্কার চলছে; তবে বাস্তব পরিবর্তন আনতে সময়, ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সাভারে ‘ফ্রেন্ডস অব দ্য আর্থ ইন্টারন্যাশনাল’ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ১১ দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ৬২ দেশের ৮৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আমরা প্রশাসন ও আইনি কাঠামো দুটোকেই পরিবর্তনের আওতায় আনছি। কিন্তু যে দেশ পরিবেশ সূচকে ১৮০ দেশের মধ্যে ১৭৯তম স্থানে থাকে, সেটি এক বছরে ৫০তম স্থানে পৌঁছে যেতে পারে না— এটি রাতারাতি সম্ভব নয়। বাংলাদেশ যদি পাঁচ থেকে সাত বছর ধারাবাহিকভাবে কাজ করে এবং অবস্থান ৭৩-এর কাছাকাছি যায়, তবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার সেই ভিত্তির ওপর কার্যক্রম এগিয়ে নিতে পারবে।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার একটি প্রায় ভেঙে পড়া ব্যবস্থা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। প্রথম কাজ ছিল এটিকে ন্যূনতমভাবে কার্যকর করা এবং তারপর পরিবর্তনের সূচনা।

জবাবদিহির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি অর্থবহ নির্বাচন এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের সব স্তরের মানুষ এতে অংশ নেবে।

তিনি জানান, বন সংরক্ষণে দুটি যুগান্তকারী আইন পাস হয়েছে। শিগগিরই জলাভূমি সংরক্ষণ আইনও পাস হবে। সভাস্থল সাভারকে পরিবেশগতভাবে অক্ষয়িত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ বহু বছর ধরে বায়ুদূষণে বৈশ্বিক সূচকে শীর্ষে রয়েছে। এটি এক বছরে বদলানো সম্ভব নয়, তবে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, এলাকায় দূষণকারী ইটভাটা ও অন্যান্য ইউনিট স্থানান্তর করা হচ্ছে এবং শ্রমিকেরা কর্মহীন হবেন না। সরকার ও নাগরিকদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়েছে, তথ্যপ্রাপ্তি সহজ হয়েছে এবং মত প্রকাশ ও অংশগ্রহণের ক্ষেত্র প্রসারিত হয়েছে।

/এসএনএস/আরকে/
সম্পর্কিত
ভোটে ‘কারচুপি’র অভিযোগ, রিজওয়ানাকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তাহেরের
‘সরকারের পক্ষ থেকে সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে’
এক বছরে সম্পদ কমেছে রিজওয়ানার, বিদেশে দায় আছে খলিলুরের
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী