X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

সব দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা শিল্পকলা মহাপরিচালকের

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২১, ১৬:১৮

সম্প্রতি শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (ডিজি) লিয়াকত আলী লাকীর বিরুদ্ধে অনিয়ম করে সরকারের ২৬ কোটি টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। একাডেমির সচিবের পদ শূন্য হলে চুক্তিভিত্তিক একজন কর্মকর্তাকে সচিবের দায়িত্ব দিয়ে এ অর্থ উত্তোলন করেন বলে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। ডিজির এই আর্থিক অনিয়মসহ স্বেচ্ছাচারিতার ঘটনা সংসদীয় কমিটির সুপারিশে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। কেন একের পর এক অভিযোগ ওঠে, অনিয়ম নিয়ে কেন আদালত পর্যন্ত যেতে হয়? এসব জানতে রবিবার সন্ধ্যায় বাংলা ট্রিবিউন হাজির হয় একাডেমির মহাপরিচালকের অফিসে। কথা হয় নানা অভিযোগ ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন উদিসা ইসলাম।

 

বাংলা ট্রিবিউন: করোনার সময়ে একাডেমির পক্ষ থেকে ৩০ জন সংগীত পরিচালক ৩০টি নৃত্য উপযোগী গান করবেন বলে তালিকা করে ৪৫ লক্ষ টাকা তুলে নেওয়া হয়। তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে বাংলা ট্রিবিউন-এর। তারা বলছেন, তারা বিষয়টি জানেনই না। একদিকে শিল্পীরা জানেন না, আরেক দিকে তাদের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে কী বলবেন?

লিয়াকত আলী লাকী: সবচেয়ে ভালো হতো যারা এই বিভাগের প্রস্তাবদাতা এবং যারা এটা বাস্তবায়ন করবে তারা যদি বলতো। প্রস্তাবনাটা কী ছিল? আমাদের দেশের নৃত্য উপযোগী মিউজিক না থাকায় সাধারণত ভিনদেশের মিউজিকের ওপর নির্ভর করতে হয়। একটা দেশের নৃত্যধারা যদি নির্ধারিত না হয়, স্বকীয়তা যদি তৈরি করা না যায়, তা হলে নৃত্যশিল্প এগিয়ে যেতে পারে না। এই প্রস্তাবনার ভিত্তিতে তারাই বিভাগ থেকে তালিকা প্রস্তুত করেছে। তালিকা থেকে বলেছে তিনটা ক্যাটাগরি- ক্লাসিক্যাল, কনটেমপরারি, ফোক ধরে কাজটা হবে। এই কাজ আগেও হয়েছে। তখন আমার কাছে প্রস্তাবটা ভালো লেগেছে। অবহিত করার কাজটি তাদেরই। যদি তারা না করে থাকে তবে উত্তরটা তারা দিলেই ভালো হয়। আামাকে বলা হয়েছে ইনফরমালি তারা শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলছে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: কিন্তু বাংলা ট্রিবিউন-এর সঙ্গে তাদের অনেকের কথা হয়েছে। তারা বলছেন, তারা কিছু জানেন না। ধরেন একজন ব্যক্তি না-ও চাইতে পারেন কাজ করতে। অথচ তালিকায় নাম উঠিয়ে টাকা তুলে ফেলা হলো।

লিয়াকত আলী লাকী: আমি জানি না। তারা নিয়মিত তাদের সঙ্গে কাজ করে। যেসব সংগীত পরিচালকরা মিউজিক ক্রিয়েট করে তাদের একটা অংশ এখানে আছে। এখনতো পরিস্থিতি জানলেন। গতকাল জিজ্ঞেস করলাম কতদূর হলো। তারা বলেছে বেশি সময় লাগবে না। সবার সঙ্গে আলোচনা করে জানাবেন। ধরেন, সুজেয় শ্যাম শারীরিকভাবে অসুস্থ। উনি না করলেও উনি কাজটা করবেন বলা হলো। এটা নিয়ে কোনও জটিলতা নেই।

 

বাংলা ট্রিবিউন: এই যে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু যাদের দেওয়ার কথা তাদের দেওয়া হয়নি, তা হলে এই টাকা কোথায় আছে?

লিয়াকত আলী লাকী: আমি বুঝি না সবসময় কেন মহাপরিচালককে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। এটা বিভাগের এখতিয়ার। কীভাবে কাজ হয় আপনাকে বুঝতে হবে। পরিকল্পনা মিটিংয়ের পর কয়েক স্তরে বিভাগগুলো ঘুরে ঘুরে সচিব হয়ে আমার কাছে আসে। প্রশ্ন থাকলে আমি মিটিং করি। যদি মনে হয় কাজটি হতে পারে, বিধিবিধান প্রতিপালন করে কাজটি করা যেতে পারে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: টাকাটার কী হলো?

লিয়াকত আলী লাকী: হেলাল বলতে পারবা (পাশে থাকা হিসাব বিভাগের সহকারী পরিচালক)? চেকটা কার কাছে? অর্থ বিভাগ থেকে নিয়ে যাবে?

হেলাল: জেনে জানাই।

লিয়াকত আলী লাকী: বিষয়টাতো তাই, নাকি? চেকটা যাদের দেওয়া হবে, নীতিমালায় আছে, সেটাতে স্বাক্ষর করবে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: যে চেকগুলো হয়েছে, সেগুলো ওপেন চেক, একাউন্ট পে চেক নয় কেন?

লিয়াকত আলী লাকী: এটাতো একাউন্ট পে হওয়ার কথা। আমাদের সিস্টেমে ডিজি চেকে স্বাক্ষর করে না, চেকের চেহারা দেখারও সুযোগ নেই। আমি এপ্রুভিং অথরিটি। পলিসি আসে। পলিসির সঙ্গে পক্ষে-বিপক্ষে কথা হয়ে গৃহীত হয়।

 

বাংলা ট্রিবিউন: আপনি বলছেন এগুলো ওপেন চেক না?

লিয়াকত আলী লাকী: ওপেন চেক হওয়ার সুযোগ নেই। কোনও একটা অনুষ্ঠানে অগ্রিম টাকা দেওয়া হয়। তখন উনি খরচটা করছেন, অগ্রিম নিয়ে। তার নামেই চেক হবে। আমাদের যেমন অনেক অনুষ্ঠানাদি হয়। আমাদের অ্যাকাউন্ট নেই বলে তখন সচিবের সঙ্গে কথা বলে বেয়ারার চেক (বাহক চেক) করে দেওয়া হয়। এসব ছাড়া সব অ্যাকাউন্ট পে চেক হতে হবে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: অগ্রিমের ক্ষেত্রেও?

লিয়াকত আলী লাকী: হ্যাঁ। হেলাল বলতে পারবে।

হেলাল: অফিসারদের অ্যাকাউন্ট পে হয় না। তারা তো জবাবদিহিতার মধ্যে। সমন্বয় করবে। অডিট হবে।

লিয়াকত আলী লাকীর সঙ্গে ছিলেন উপসচিব (প্রশাসন) জাকির হোসেন

বাংলা ট্রিবিউন: ৩০ জুনের চেকটা সমন্বয় হবে কত দিনে?

লিয়াকত আলী লাকী: যত দ্রুত সম্ভব।

 

বাংলা ট্রিবিউন: সুনির্দিষ্ট কোনও সময়?

লিয়াকত আলী লাকী: আমিতো মনে করি সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।

কেউ যদি সমন্বয় না করে তবে অবসরে যাওয়ার একদিন আগে হলেও এটা করতে হবে। না হলে পেনশন হবে না। আমি পত্র ইস্যু করেছি। যারা যারা সমন্বয় করেননি তারা একমাসের মধ্যে যেন করেন। না হলে কেন তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না!

 

বাংলা ট্রিবিউন: কবে দিয়েছেন এই অর্ডার?

লিয়াকত আলী লাকী: সেটা দেখে বলতে হবে। কিছু বাত্যয়তো ঘটে দেখি। একমাসে সমন্বয় হচ্ছে না। সংস্থা প্রধান হিসেবে সিল বানিয়েছিলাম। ১৫ দিনের মধ্যে সবকিছু করে দিতে হবে। অনুষ্ঠান শেষ। ১৫ দিনে সমন্বয় করে দেবে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: কত টাকা পর্যন্ত একজন কর্মকর্তা অগ্রিম নিতে পারেন?

লিয়াকত আলী লাকী: আমি জানি না, সাত লক্ষ টাকার মতো মনে হয়।

 

বাংলা ট্রিবিউন: নিয়ম কী বলে?

লিয়াকত আলী লাকী: আমাদের আর্থিক বিধি আছে। সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাত লাখ। আমার কাছে এলে সাত লাখ রেয়ার কেস, পাঁচ করে দিই।

 

বাংলা ট্রিবিউন: এক লাখ ৪১ হাজার ৫২০ টাকার ভাউচার হয়েছে। ভাউচারে সাক্ষর সাইদুর রহমানের। তিনি স্বীকার করেছেন এগুলো আসল নয়, ‘ম্যানেজ করা’। এই কেনাকাটা প্রসঙ্গে কী বলবেন?

লিয়াকত আলী লাকী: এই বিষয়ে আমার জানা নাই। পদ্ধতি মেনে করা হয়। কেয়ারটেকারকে অ্যাসাইন করা হয়। চাহিদাপত্র সংগ্রহ করে প্রশাসনিকভাবে একমত হয় যে এটা দরকার। সেখানে ক্রয় কমিটি আছে। তারা প্রাক্কলন অ্যাপ্রুভ করে। তারপর ক্রয় হবে। ওই পদ্ধতিতে কেনার বিধিবিধান হবে। এক বিন্দু ছাড় দেওয়ার পক্ষপাতি আমি নই।

 

বাংলা ট্রিবিউন: তানিয়া বেডিং থেকে কেনা হয়েছে ১৫ হাজার টাকার পর্দা। ভাউচারও জমা পড়েছে। তানিয়া বেডিং বলছে ভাউচারের কাগজ দিয়েছি, পর্দা দিইনি। মনিকা ফার্নিচারের দোকান ভাউচারের ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে না। কেয়ারটেকার বলছে ভাউচার ম্যানেজ করেছি।

 

লিয়াকত আলী লাকী: এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেবো এই বলে যে, ‘একজন সাংবাদিক আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে’। এখনই নথি রেডি..(কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন)।

 

বাংলা ট্রিবিউন: আমি অভিযোগ করিনি, তথ্য দিয়ে বিষয়টি জানতে চেয়েছি।

লিয়াকত আলী লাকী: আমাকে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: সেটি আপনি গ্রহণ করবেন কিনা বা এটা আগে দেখা উচিত ছিল কিনা তা আপনি বুঝবেন।

লিয়াকত আলী লাকী: আর কত পদ্ধতির ভেতর যাবো। প্রথমে রিকুজিশন নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী সবার সব চাহিদা আমরা পূরণ করতে পারি তা হয়তো না। চাহিদাপত্রের সিরিয়াল অনুযায়ী না দিয়ে যৌক্তিকতা যাচাই করে চাহিদাপত্রের জিনিস সরবরাহ করা হয়।

 

বাংলা ট্রিবিউন: হাবলু সাহেব বলছেন উনি কোনও রিকুজিশন দেননি।

লিয়াকত আলী লাকী: উনি সকালে এক কথা বিকালে আরেক কথা বলেন। বিধিবিধান মেনে সব করতে হবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থা পজিটিভলি হবে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: আপনার ২৬ কোটি টাকার (উত্তোলন ও হিসাব না পাওয়ার অভিযোগ) ব্যাংক স্টেটমেন্ট নেই?

লিয়াকত আলী লাকী: আছে। অডিট টিম আছে না? কেন এখন এসব উঠছে? একটা হতে পারে অডিট ধরেছে এত কোটি টাকা...।

 

বাংলা ট্রিবিউন: সংসদীয় কমিটি কথা বলছে, দুদক যাচাই বাছাই করছে। তা হলে গণমাধ্যম কেন ধরবে না?

লিয়াকত আলী লাকী: এটার ফাইন্ডার বাংলা ট্রিবিউন। বাংলা ট্রিবিউনকে অনেকে কপি করেছে। সেসব দেওয়া হয়েছে দুদককে। আমিতো হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ না যে আমাকে ধরার কেউ নেই। আমার পরিষদ আছে। আমি যদি গর্হিত কাজ করি পরিষদ সেটা ধরিয়ে দিয়ে বলবে-তুমি এসব ব্যত্যয় ঘটিয়েছো।

 

বাংলা ট্রিবিউন: পরিষদতো এসব জানে না বলছে।

লিয়াকত আলী লাকী: আমার যেহেতু শিল্পকলা চলে পরিষদের দ্বারা, পরিষদই যথেষ্ট। আমার আছে মন্ত্রণালয়। এই অভিযোগ সংসদীয় কমিটিতে যাবে কেন? তাদের কি কোনও দুর্বলতা আছে?

 

বাংলা ট্রিবিউন: কাদের দুর্বলতা আছে?

লিয়াকত আলী লাক: যারা এটা সংসদীয় কমিটিতে নিয়েছে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: কাউকে সন্দেহ হয়?

লিয়াকত আলী লাকী: সন্দেহের কিছু নেই। অভিযোগতো হয়েছে। শিল্পকলা একাডেমি নিয়ে সারাবিশ্বে অনেক কিছু আছে। আমাদের বন্ধুও আছে, প্রতিযোগীও আছে। একটা লাকী মারা গেলে দেশের কিছু আসে যায় না। আমার পরিষদ আছে। পরিষদ তো তা হলে নিস্ক্রিয়, কোনও শক্তি নেই। মন্ত্রণালয়ে যতগুলো জিনিস এসেছে, এটার বিপরীতে যারা যারা ভিকটিম... আমরা শুধু চিঠি পাই। একটা স্টে অর্ডার হয়েছে, এটার ‘রুল নিশি’ হয়েছে…।

 

বাংলা ট্রিবিউন: ২৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয় থেকে একটা চিঠি এসেছে আপনার কাছে, যে কালচারাল অফিসাররা বদলি হওয়ার পরও জেলায় যায়নি তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।

লিয়াকত আলী লাকী: সঙ্গে সঙ্গে আইনজীবীর কাছে পাঠিয়েছি। তিনি আমাদের মতামত দিয়েছেন। আমরা সেটা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। আমার যতটুকু জায়গা আছে ততটুকুই করবো। আমি একমাত্র মানুষ বাংলাদেশে- ‘মেরে লিয়ে আল্লাহ কাফি হেয়’। যে নিন্দা আমার বিরুদ্ধে... এখন যদি সবাই রায় দেয়- আপনার আত্মহত্যা করা উচিত, আপনার এগুলো ছেড়ে দেওয়া উচিত-এরকম একটা জায়গায় যাবে কেন?

দেখেন আমি কিছু করতে চেষ্টা করছি কিনা, পারছি সেটা বলবো না। শিল্পকলা একাডেমি আজ জেলা থেকে উপজেলায়। গত ১০ বছরে কী অর্জন হয়েছে সেটা নিয়ে প্রতিবেদন করতে অনুরোধ করবো।

আমি সমালোচনা পছন্দ করি। স্তুতি বা নিন্দা নয়। সমালোচনা হবে, আমি সমৃদ্ধ হবো। একটা নতুন পথ খুঁজে পাবো। সেই জায়গা থেকে আবার বলছি, পরিষদ মন্ত্রণালয় আছে। কিন্তু সংসদীয় কমিটিতে যে-ই দিলো, তাদের পক্ষ থেকে আমি দুর্বলতা দেখি। শিল্পকলা একাডেমি আর জাদুঘর আর্কাইভ এক না। এটা আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। সরকারের সহযোগিতা লাগবেই। কিন্তু পরিষদ এর সমস্ত কিছু। আমার অনুরোধ, কেবল শিল্পকলা নয়- জাদুঘর, বাংলা একাডেমিতে কী ঘটছে সেসবও দেখা দরকার। 

 

ছবি: নাসিরুল ইসলাম

 

আরও পড়ুন

শিল্পকলায় দুর্নীতি: ২৬ কোটি টাকা কোথায়?
শিল্পকলায় দুর্নীতি: পর্দা, প্লেট, সোফা কার জন্য কে কিনলো!
শিল্পকলায় করোনা বাণিজ্য: ৩০ সংগীত পরিচালকের বরাদ্দ কার পকেটে?
কিছুই তোয়াক্কা করছেন না শিল্পকলার ডিজি
শিল্পকলার ডিজির বিরুদ্ধে অনিয়ম করে ২৬ কোটি টাকা উত্তোলনের অভিযোগ, তদন্তে মন্ত্রণালয়

/এফএ/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপ-এর প্রথম উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকবৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
ডিম ছাড়ছে না হালদার মা মাছ, ভারী বৃষ্টির অপেক্ষা
ডিম ছাড়ছে না হালদার মা মাছ, ভারী বৃষ্টির অপেক্ষা
নরসিংদী রেল স্টেশনে সেদিন কি ঘটেছিল?
নরসিংদী রেল স্টেশনে সেদিন কি ঘটেছিল?
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সহ-সভাপতিকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সহ-সভাপতিকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত