সাক্ষাৎকার

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার সদিচ্ছা মিয়ানমারের নেই: আসিফ মুনীর

সাদ্দিফ অভি
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:০০আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:০০

মিয়ানমার থেকে সহিংসতার কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে দেশটির সদিচ্ছা নেই বলে মনে করেন অভিবাসন ও শরণার্থী-বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর। তার মতে, মিয়ানমার এখন নতুন নতুন ন্যারেটিভ তৈরি করছে। যেটা প্রত্যাবাসনের জন্য সহায়ক নয়। এছাড়া তিনি মনে করেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ‘ট্র্যাক টু’ কূটনীতি চালাতে হবে। বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা অভিযান ও নির্যাতনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় লাখো রোহিঙ্গা। পুরোনোদেরসহ বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩২টি শরণার্থী শিবিরে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর’র তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত রোহিঙ্গা নাগরিকদের সংখ্যা ১২ লাখ ২ হাজার ২৪ জন। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে জুলাই পর্যন্ত নতুন নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৯০ জন। অর্থাৎ তারা নতুন করে প্রবেশ করেছেন।

বছরের পর বছর কাঁটাতারের ভেতর বন্দি জীবন কাটাতে কাটাতে রোহিঙ্গাদের কাছে এখন আকাঙ্ক্ষা একটাই—নিজ ভূমি আরাকানে নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে ফিরে যাওয়া। তবে মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন। ২০২৩ সাল থেকে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র যুদ্ধ চলছে, বর্তমানে রাখাইনের অধিকাংশ অঞ্চল আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বাংলা ট্রিবিউন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কী আসলে সম্ভব? 

আসিফ মুনীর: প্রথমত, প্রত্যাবাসনকে শুধু ‘প্রত্যাবাসন’ হিসেবে দেখলে হবে না। যে কারণে তাদের দেশ ছাড়তে হয়েছে, এখানে সেটা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। ওইখানে যদি আল্টিমেটলি তাদের অধিকারের জায়গা থেকে কোনোভাবে অগ্রগতি না হয়, তাহলে এটার মানে দাঁড়ায়—একটা অনিশ্চিত জায়গায় তারা ফেরত যাবে। এ জন্য যেটা অনেকে একটা বিশ্লেষণ করে যে তৃতীয় কোনও দেশে তাদের যদি নেওয়া যায় এবং ভলান্টারি অর্থাৎ তারা নিজেরা স্বেচ্ছায় যেতে যদি রাজি হয়। এখন এটার বিরোধিতা অনেকে করে যে না তাহলে তারা কোনোদিন তাদের দেশে ফেরত যেতে পারবে না। কিন্তু বাস্তবতাটাও বুঝতে হবে, মিয়ানমারে এটা তো শুধু ২০১৭ সালের ঘটনা না, বরং কয়েকশত বছরের একটা ইতিহাস আছে যে রোহিঙ্গারা সবসময় নিপীড়িত হয়ে আসছে।

ওই অঞ্চলে বর্তমানে যে ধারাটা, সেটাও একেবারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তাদের জাতিগত স্বীকৃতি শুধুমাত্র যে তাদের রাষ্ট্র দেয় না তা না, তাদের সেখানকার জনগণও দেয় না এবং যেহেতু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তাদের একটা ভূমিকা ছিল যে তারা কার পক্ষ নিচ্ছে—ওই কারণে তাদের অলমোস্ট সেখানে দেশের জন্য বিশ্বাসঘাতক হিসেবে দেখা হয়

আরেকটা বিষয় হচ্ছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে এটার জন্য মিয়ানমারকে বলা হচ্ছে যে এটা তাদের দায়িত্ব, কিন্তু মিয়ানমার যদি না করে আন্তর্জাতিক মহলের ভূমিকাটা কী? আন্তর্জাতিক মহল তো সেই জায়গাটায় তেমন কিছু করছে না। এই জায়গাটাকে নিশ্চিত করতে গেলে আন্তর্জাতিক একটা ভূমিকা দরকার।  মিয়ানমার সাম্প্রতিক বিবৃতিতে বলেছে, এটা দ্বিপাক্ষিক ইস্যু, এটা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি। কারণ তারা আল্টিমেটলি চূড়ান্ত সমাধানে যেতে চায় না। সেই জায়গা থেকে এখানে আন্তর্জাতিকভাবেই একটা সমাধান লাগবে। তবে যেটা বলা হয় চাপ, চাপের জায়গায় প্রত্যাবাসন হবে না। এখানে একটা নেগোসিয়েশন লাগবে। আমরা এখনকার বিষয়ে বুঝি—বাজার অর্থনীতির যুগে, যেখানে যার যার নিজস্ব যে স্বার্থ আছে, বিশেষ করে বাণিজ্যিক অর্থনৈতিক স্বার্থ, সেটার মধ্যে থেকে যদি একটা নেগোসিয়েশনে আসা যায়, সেটা না হলে হবে না। এই জায়গাটা যদি করতে হয়—তাহলে আল্টিমেটলি হেল্প লাগবে। এটা সিকিউরিটি কাউন্সিল বা চাপ বা তাদের ওপরে স্যাংশন—এই জায়গাতে হবে না। তার মানে কী? এখানে শুধুমাত্র এভাবে না দেখে এটাকে মাল্টিফ্যাসিটেডভাবে দেখতে হবে। ডিপ্লোমেটিক্যালি মানে আমাদের নরমাল যে কূটনীতি আছে, আবার বলা হয় ‘ট্র্যাক টু কূটনীতি’ বিভিন্নভাবে চেষ্টা করতে হবে যে যারা মিয়ানমারের বন্ধু ভাবাপন্ন রাষ্ট্র তাদের মাধ্যমে যদি তাদেরকে কনভিন্স করানো যায়।

অপরদিকে তৃতীয় কোনও দেশের মাধ্যমে অপশনটা, এটা কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন বা প্রক্রিয়ার মধ্যে কোথাও বাধা নেই যে পার্শ্ববর্তী কোনও দেশে অথবা আঞ্চলিকভাবে তাদের তৃতীয় দেশে নেওয়া যাবে না। প্র্যাকটিস যেটা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের আমেরিকান ইনভলভমেন্টের কারণে উন্নত বিশ্বে কিন্তু স্থানীয়ভাবে মানে লোকালিও হতে পারে বা রিজিনালি হতে পারে। যেমন মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া হতে পারে। যেখানে ওরা যেতে রাজি হবে, পুরো জনগোষ্ঠী না অর্থাৎ এটাও টেম্পোরারি ধরা যায় যে ঠিক আছে, এখন আমাদের এখানে তো টেম্পোরারি বলছি, কিন্তু ১০ বছর হয়ে যাবে বা ১০ বছর হয়ে যাচ্ছে, তাহলে সেরকমভাবেই টেম্পোরারি যাওয়া যায়। যদি কোনোদিন তাদের অবস্থার উন্নতি হয়, তারা দেশে ফেরত যাবে। যদি না হয় তাহলে অলটারনেটিভ আরেকটা জায়গায় তারা থাকবে। এই জায়গায় ডিপ্লোমেসিগুলো এখনও শুরু হয়নি এবং আজ পর্যন্ত কোনও একটা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হলো না। ২০২৫ সালে জাতিসংঘের সাইডলাইনে একটা হয়েছে। কিন্তু আঞ্চলিক কোনও সম্মেলন হয়নি বা বাংলাদেশের লিডারশিপেও কিন্তু হয়নি। বাংলাদেশে তো বেশি তারা সম্মিলিতভাবে। কিন্তু আলাপ আলোচনার জায়গায় বসেনি। এই জায়গাগুলো থেকে নেগোসিয়েশনের জায়গায় কীভাবে আসা যায়, মিয়ানমারের সঙ্গে এবং মিয়ানমারের স্বার্থ রক্ষা করে। কারণ অনেকেই তো মিয়ানমারের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্কটা রাখতে চায়। চীনও রাখতে চায়, ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোডে তাদের ইনিশিয়েটিভ আছে। আরও বাণিজ্যিক জায়গা আছে। কাজেই সেসব জায়গা থেকে ওই বাণিজ্যিক এঙ্গেল থেকে ডিপ্লোমেসিটাকে চালানোর একটা প্রয়োজনীয়তা আছে। অর্থাৎ সোজাসুজি রিপ্যাট্রিশনের জায়গায় যাওয়া যাবে না। কিন্তু যদি আমরা অল্টারনেটিভ কিছু প্রক্রিয়া তৈরি করি, তাহলে দেখা যাবে—কোনও একটা সময় হতে পারে। সুতরাং, মিয়ানমার যদি একটা স্থিতিশীল জায়গায় আসে, সেটা না হলে আলাপ আলোচনার কোনও প্রশ্নই আসে না। কারণ ওখানেই তো স্থিতিশীল কিছুই নাই। আমাদের বর্ডারের দিকেও ওদের গোলাগুলি চলে আসে, তাই না? এই যে এখনও অনেকে নিয়মিত আসে।

বাংলা ট্রিবিউন: কূটনৈতিক উদ্যোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক সমাধান কেমন হতে পারে?

আসিফ মুনীর: এখনও নিয়মিত লোকজন ঢুকতেছে। কেন? কারণ ওখানে যুদ্ধের অবস্থা চলছে। আগের চেয়ে এখন বেশি হচ্ছে। ওখানে কখনও আরাকান আর্মি লিড করে, কখনও মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ—এটাকে একটা নিয়ন্ত্রণের জায়গায় আসতে হবে। সরকার যে বলছে, রাজনৈতিক সমাধানের কথা, এটা তৃতীয় কোনও দেশের মাধ্যমে হতে পারে। যেমন- ‘আসিয়ান’ একটা হতে পারে। তারপরে ওইসি যদি হয়, সেই জায়গাগুলো কাজে লাগানো যেতে পারে। পলিটিক্যাল মানে কী, পলিটিক্যাল নেগোসিয়েশন, পলিটিক্যাল প্রেসানা—ল্যাঙ্গুয়েজটা আমরা আগে শুনতাম। কারণ মিয়ানমারের চাপ প্রতিহত করার ক্ষমতা আছে। ফলে চাপ দিতে গেলে দেখা যাবে, ওদের সাথে যারা একটু ক্লোজ, তারা চাপের ব্যাপারে বলবে যে ‘না আমরা চাপ দিতে রাজি না।’ কাজেই ভাষাটা পরিবর্তন করতে হবে। এখন পর্যন্ত রাজনৈতিকভাবে আমরা তেমন কোনও চেষ্টা করিনি। রাজনৈতিকভাবেও মিয়ানমারের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করা কঠিন। কারণ সেখানে সেনা সমর্থিত একটা সরকার আছে।

বাংলা ট্রিবিউন: মিয়ানমার দাবি করেছে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা বাঙালি’, এটা কোনও কূটকৌশল কিনা?

আসিফ মুনীর: এইটা হচ্ছে তাদের পুরোনো গেম। দেখা যায় যে ওরা সরাসরি বক্তব্য না দিয়ে ওদের ওয়েবসাইটে একটা প্রেস স্টেটমেন্ট দেয়, ফেসবুক পেইজে দেয়। এটা আগে থেকেই দিয়ে আসছে। তাদের ন্যারেটিভটা কী? ২০১৭ সালে যে কয়জন এসেছে বা তখনকার হিসাবটাকে ওরা কাউন্ট করছে। এতদিনের মধ্যে যে আরও এসেছে—এটাকে ওরা কাউন্ট করছে না, স্বীকার করছে না। ওখানে অনেক ধরনের বিষয় আছে, যেগুলো ওদের পুরোনো ন্যারেটিভের ভিত্তিতে তারা বলছে যে এরা বাঙালি এবং এখানে এসে বাস করতে পারে। সেখানে কোথায় বাস করবে? ওদের তো নিজেদের জায়গা নাই। ওগুলো তো ওরা ধ্বংস করে ফেলেছে। তাহলে এদিকে তারা ক্যাম্পের মতো জায়গায় আসবেই। কাজেই ওখানে এক ধরনের একটা ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে মিয়ানমার। মিয়ানমারের সহযোগী রাষ্ট্রগুলোকে একটা ন্যারেটিভ দেওয়া দরকার। তাদের একটা ন্যারেটিভ দেওয়া যে তোমরা যদি এটা নিয়ে কথা বলো—তাহলে সামনে আবার হয়তো দেখা যাবে, ইউএন অ্যাসেম্বলিতে এই প্রসঙ্গটা আসছে। তখন যাতে ওদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো জাতিসংঘ বা বিভিন্ন জায়গায় এবং যে মামলাটা আছে, তো ওইটাতেও যাতে তারা তাদের ভাষ্যটাকে ব্যবহার করতে পারে। এটা ওদের সহযোগীদের জন্য একটা পরোক্ষ মেসেজ। কাজেই এখানে মনে হচ্ছে, ওদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে, ওদের যারা সহযোগী আছে, বন্ধু রাষ্ট্র আছে,  তাদের একটা মেসেজ দেওয়া, এটা হচ্ছে আমাদের ভাষ্য, এইটাকে তোমরা প্রমোট করো। প্রত্যাবাসন নিয়ে তাদের মেসেজটার উদ্দেশ্য ভালো না। ভালো না মানে তারা আগের জায়গাতেই আছে যে আসলে ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ নাই, তারা উদাসীন। এটা শুধুমাত্র প্রত্যাবাসন বিলম্ব করার চেষ্টা বা এটাও তাদের একটা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। হয়তো এমনও হতে পারে যে যেহেতু তাদের একটা নির্বাচন হয়েছে কিছু দিন আগে, ওরা একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছে—আমরা একটা ডেমোক্রেটিক, আর্মি না। ওরা একটা ভাইব দেওয়ার চেষ্টা করছে যে তাদের এটা একটা গণতান্ত্রিক সরকার। যেহেতু ইলেকশনটা খুব বেশি দিন আগে হয়নি, মনে হচ্ছে টাইমিংটাও একটা ফ্যাক্টর যে, এখন কেন দিচ্ছে। এর কারণ একটা হলো সামনে ইউএন অ্যাসেম্বলি আছে, আবার আরেকটা হলো—যেহেতু ওদের ওখানে ইলেকশনটা হয়ে গেছে, ওদের সহযোগী রাষ্ট্রগুলোকে একটা মেসেজ দিলো—আমরা এখনও কিন্তু আগের ন্যারেটিভে আছি। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার সদিচ্ছা তাদের নেই।

/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর: বৈশ্বিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলো ১৬ কূটনৈতিক মিশন 
থামেনি অনুপ্রবেশ: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৩১০ হত্যা, উদ্বেগে স্থানীয়রা
রোহিঙ্গা সংকট: স্মরণ নয়, এবার দায় নেওয়ার সময়
সর্বশেষ খবর
কাতালান পতাকাকে কেন্দ্র করে বার্সার সমর্থকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, নিন্দা ও ক্ষোভ
কাতালান পতাকাকে কেন্দ্র করে বার্সার সমর্থকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, নিন্দা ও ক্ষোভ
রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর: বৈশ্বিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলো ১৬ কূটনৈতিক মিশন 
রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর: বৈশ্বিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলো ১৬ কূটনৈতিক মিশন 
রাজধানীতে ১ দিনে ৫০১ জন গ্রেফতার, শীর্ষে মিরপুর
রাজধানীতে ১ দিনে ৫০১ জন গ্রেফতার, শীর্ষে মিরপুর
প্রধানমন্ত্রী বিটিভিকে বিশ্বাসযোগ্য ও আধুনিক চ্যানেল হিসেবে দেখতে চান: কাজী জেসিন
প্রধানমন্ত্রী বিটিভিকে বিশ্বাসযোগ্য ও আধুনিক চ্যানেল হিসেবে দেখতে চান: কাজী জেসিন
সর্বাধিক পঠিত
ঘুম থেকে তুলে ছেলেকে পুলিশের হাতে দিই, গায়ে ছিল গেঞ্জি: সিদ্ধার্থের বাবা
ঘুম থেকে তুলে ছেলেকে পুলিশের হাতে দিই, গায়ে ছিল গেঞ্জি: সিদ্ধার্থের বাবা
বরিশাল থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ
বরিশাল থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ
‘পরের বছর থেকে হবে না শর্তে ২৮ আগস্ট হচ্ছে নৌকাবাইচ’
‘পরের বছর থেকে হবে না শর্তে ২৮ আগস্ট হচ্ছে নৌকাবাইচ’
৪০ লাখের বেশি ইভি ফেরত নেওয়ার নির্দেশ
৪০ লাখের বেশি ইভি ফেরত নেওয়ার নির্দেশ
মানি এক্সচেঞ্জে ডলার কেনা-বেচার নতুন দর নির্ধারণ
মানি এক্সচেঞ্জে ডলার কেনা-বেচার নতুন দর নির্ধারণ