ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে সদ্য তোলা পেনশনের ৫ লাখ টাকা হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা। ছিনতাইয়ের ঘটনা ও ছিনতাইকারীরা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরাও পড়েছেন। এই ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েও পড়েছে। তবে ফুটেজ দেখার পর পুলিশ বলছে, এই শহরে দুই কোটি মানুষের ভিড়ে ছিনতাইকারীদের খুঁজে বের করা সম্ভব নয়।
যার টাকা ছিনতাই হয়েছে তার ছেলে সাব্বির আহমেদ রবিন রবিবার তার ফেসবুকে লেখেন, গত ৪ মে ২০১৬ দুপুর ১টায় বায়তুল মোকাররম জুয়েলারি মার্কেটের দোতলার বাথরুম থেকে আমার আব্বার ৫ লাখ টাকা ছিনতাই হয়। আব্বা ইসলামী ব্যাংক রমনা শাখা থেকে পেনশনের ৫ লাখ টাকা উঠিয়ে মার্কেটের সামনে এলে তার শার্টের পেছনে কে বা কারা ময়লা লাগিয়ে দেয়। এ সময় তিনি বায়তুল মোকাররম জুয়েলারি মার্কেটের দোতলার বাথরুমে শার্ট খুলে পরিষ্কার করতে ঢুকলে আব্বার পিছু নেওয়া চারজন সেখানে হাজির হয়। যার মধ্যে একজন বাথরুমের সামনে বসে সুইপারের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন, আর তিনজন পর্যায়ক্রমে বাথরুমে ঢোকেন। এর সবই সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, (আব্বার বক্তব্য অনুযায়ী) ভেতরে থাকা তিনজন ভিড়ের সুযোগে খুব চালাকি করে ৫ লাখ টাকার ব্যাগ হাতিয়ে নেয়। সাদা শার্ট পরা লোকটি আব্বার ব্যাগ নিয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগী পল্টন থানায় মামলা করার পাশাপাশি আমিন জুয়েলার্সের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করেন। এই ফুটেজও পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে দাবি করেন। সাব্বির আহমেদ রবিনের দাবি, পুলিশ এ ব্যাপারে কিছু করতে চাচ্ছে না। তারা বলছে, ঢাকার দুই কোটি মানুষের মধ্য থেকে এই চারজনকে খোঁজা সম্ভব নয়।
এদিকে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোর্শেদ আলমের কাছে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা হয়েছে একটা। ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কেউ যদি টাকা নিয়ে টয়লেটে গিয়ে ব্যাগ রেখে তার কাজ করে তাহলে চোরতো ব্যাগ চুরি করবেই। এ ধরনেরই ছিল এই ঘটনা।
সিসিটিভি ফুটেজে পুরো ঘটনাই স্পষ্ট দেখা যায়, জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে বলতে হবে। এখন বলতে পারছি না। কিন্তু তিনি টয়লেটে ঢুকে ব্যাগ রেখে দিয়ে নিজের কাজে ব্যস্ত ছিলেন বলেই জেনেছি। বাকিটা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে কড়া সমালোচনা করে চিঠি
/এফএস/এজে







