রাজধানীতে ধর্ষণের শিকার হওয়া দুই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ড. সোহেল মাহমুদকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- মমতাজ আরা, নিলুফার ইয়াসমিন, কবিতা সাহা ও কবির সোহেল।
রবিবার দুপুর ১টার দিকে বনানী থানার দুই নারী পুলিশ ভুক্তভোগীদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার থেকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
এ বিষয়ে ড. সোহেল মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভিকটিমদের মাক্রোবায়োলজি, রেডিওলজিক্যাল এবং ডিএনএ প্রোফাইলিং পরীক্ষার জন্য আনা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন পেতে ১৫/২০ দিন সময় লাগবে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ঘটনাটি বেশ কিছুদিন আগের হওয়ায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া কঠিন হবে। তাই এখন আমরা তথ্য প্রমাণের (এভিডেন্সেরও ওপর) ওরপ নির্ভরশীল।’
পুলিশ ও ভিকটিম সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার দুই তরুণী রাজধানীর দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গত ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাদাত আহমেদ ও নাইম আশরাফ ওই শিক্ষার্থীদের জন্মদিনের দাওয়াত দেয়। ওইদিনই তারা ওই ছাত্রীদের বনানীর কে ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বর দ্য রেইন ট্রি নামের একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে জন্মদিনের অনুষ্ঠান চলার সময় দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরদিন বিষয়টি জানাজানি হলে হত্যার পর লাশ গুম করার ভয় দেখিয়ে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে দুই তরুণী তাদের বাসায় ফিরে আসে। প্রথমে ভয়ে বিষয়টি কাউকে না জানালেও পরে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তারা মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু আসামিরা প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান হওয়ায় বনানী থানা পুলিশ প্রথমে তাদের মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়।
/জেএ/জেবি/এসএনএইচ/
আরও পড়ুন:








