সাঁতারকুল এলাকা ভবিষ্যতে গুলশান থেকেও উন্নত হবে: আতিকুল ইসলাম

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:২৯, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৩৪, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯

সাঁতারকুলে সম্প্রসারিত নতুন ১৮ ওয়ার্ডের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘একসময় গুলশানও ইউনিয়ন ছিল। আমি চাই সাঁতারকুল এলাকা গুলশান থেকেও উন্নত হবে।’

বুধবার বেলা ১২টায় ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত সাঁতারকুলের প্রজাপতি গার্ডেন থেকে নতুন সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে মেয়র এ কথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখন থেকে নতুন সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে ২৫ জন করে পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং ১৩ জন করে মশক নিধনকর্মী কাজ করবেন। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে এসকল পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মশক নিধনকর্মীরা কাজ করবেন।'

পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মশক নিধনকর্মীদের উদ্দেশে মেয়র বলেন, ‘কাজে কোনও প্রকার ফাঁকি দেওয়া যাবে না। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুধু পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ওপর নির্ভর করে না, আমাদের মানসিকতার ওপরও নির্ভর করে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা পরিষ্কার করবেন, আর অন্যরা রাস্তা-ঘাট ময়লা করবে এটা কাম্য নয়।

সাবেক সাঁতারকুল ইউনিয়নটি ডিএনসিসির আওতাভুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একসময় গুলশানও ইউনিয়ন ছিল, আমি চাই সাঁতারকুল এলাকা গুলশান থেকেও উন্নত হবে।

সূতিভোলা খালে কচুরিপানা অপসারণ কাজের উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি মেয়রিআতিকুল ইসলাম।

সভায় মেয়র জানান, সম্প্রসারিত এলাকার ১৮টি ওয়ার্ডে রাস্তা, ফুটপাত, ড্রেন ইত্যাদি নির্মাণের জন্য ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, “নতুন প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার, কাঁচাবাজার থাকবে।’

অনুষ্ঠান শেষে মেয়র এলাকার সূতিভোলা খাল পরিদর্শন করেন। সেখানে ডিএনসিসির নিযুক্ত কচুরিপানা অপসারণকর্মীদের কাজের উদ্বোধন করেন। এসময় মেয়র বলেন, এই সূতিভোলা খালটির মালিক ওয়াসা। আমরা লোক নিয়োগ করে খাল পরিষ্কার করে দিচ্ছি। শুধু আমরা পরিষ্কার করে দিলেই হবে না এজন্য প্রতিটি এলাকার মানুষকে দায়িত্ব নিতে হবে।  প্রতিটি এলাকায় এরকম নোংরা খাল রয়েছে। আর এই খাল থেকেই মশার জন্ম হচ্ছে। তাই আমরা এবার খাল পরিষ্কার করে ম্যালাথিউন ওষুধ স্প্রে করে দিচ্ছি। যেন উৎসেই মশা ধ্বংস হয়ে যায়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মঞ্জুর হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

/এসএস/টিএন/

লাইভ

টপ