একটি ভোট পড়লেও নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক: ইসি সচিব

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:৩২, মার্চ ২১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৩৫, মার্চ ২১, ২০২০

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর

একটি ভোট পড়লেও নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচনে যারা প্রার্থী তারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করলেই সেটা অংশগ্রহণমূলক। পৃথিবীর অনেকে দেশের সংবিধানে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোটাররা না গেলে ভোট হবে না। আমাদের সংবিধানে তা নেই। একটি ভোটও যদি হয় তাহলে আমরা বলবো এটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। শনিবার নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সচিব বলেন, ভোটাররা ভোট দিতে যাবে কিনা সেটা তাদের বিষয়। ভোটারকে ভোট দিতে বাধ্য করা যাবে না। এটা আইনেও নেই। স্বেচ্ছায় তারা ভোট দেবেন। বৈধতার জন্য অন্য দেশের মত নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতির বিধান নির্বাচন কমিশন করবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি নির্বাচন কমিশনের নয় এবং সংসদের বিষয়, সরকারের বিষয়।

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ইভিএমে ভোট হলে জাল ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই বলে ভোটের হার কম হয়। আর জাল ভোট হলে তা ধরিয়ে না দিয়ে বোঝার সুযোগ নেই জাল হয়েছে কিনা। জাল ভোট চিহ্নিত করার দায়িত্ব এজেন্টদের। প্রিসাইডিং অফিসার তো ভোটারদের চেনেন না।

সকল ভোট বন্ধ

আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠেয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য ভোট স্থগিত ঘোষণার কথা উল্লেখ করে আলমগীর হোসেন বলেন, সারা বিশ্বের মানুষ করোনা ভাইরাসে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে। বাংলাদেশেও বেশ কয়েকজন আক্রান্ত হয়েছে। আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, যশোর-৬ ও বগুড়া-১ আসনের উপনির্বাচন এবং সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন কাউন্সিলের উপনির্বাচন ও সাধারণ নির্বাচন ছিল। সকলের স্বাস্থ্যের বিষটি চিন্তা করে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব নির্বাচন বন্ধ থাকবে। এখন থেকে নির্বাচনি প্রচারণাসহ সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।কারো চাপে নয় নির্বাচন কমিশন নিজেদের সিদ্ধান্তে এই ভোট স্থগিত করছে।

আড়াইটায় ঢাকা-১০ এ ৫% ভোট

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঘণ্টা দুয়েক আগে (সাড়ে ৪টায় সংবাদ সম্মেলন) আমাকে জানানো হয়েছে ঢাকা-১০ আসনে ৫ শতাংশ, বাগেরহাট ও গাইবান্ধায় ৪০ শতাংশের মত ভোট পড়েছে। ঢাকা-১০, বাগেরহাট-৪ ও গাইবান্ধার উপনির্বাচনের সব কাজ সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকির চিন্তা করে বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। তবে, যাতে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কম হয় তার জন্য হ্যান্ড সেনিটাইজারসহ সকল ব্যবস্থা করা হয়।

 

/ইএইচএস/এমআর/

লাইভ

টপ