ঢাকার অলিগলিতে লকডাউন

Send
আমানুর রহমান রনি
প্রকাশিত : ২২:৫৫, এপ্রিল ০৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৫, এপ্রিল ০৯, ২০২০

১৪ দিনের জন্য বাড়ি লকডাউনকরোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই রোগী শনাক্ত হচ্ছে। শনাক্ত হওয়ার পরপরই রোগীর বসবাসের বাড়ি, সড়ক অথবা এলাকাটি লকডাউন করে দিচ্ছে পুলিশ। রাজধানীতে দ্রুত এই লকডাউন বাড়ছে। মহানগরীতে এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তাই প্রতিদিন লকডাউনের এলাকাও বিস্তৃত হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, আইইডিসিআর’র নির্দেশনা অনুযায়ী এলাকা বা বাড়িগুলো লকডাউন করা হচ্ছে। এ যাবত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্তর্গত ৫০ থানার ২৭টিতেই করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া যাওয়ায় এসব থানার বাসা-বাড়ি-রাস্তা বা এলাকার কোথাও না কোথাও লকডাউন করা হয়েছে।

রমনা থানা এলাকার যেসব রোড লকডাউন

মগবাজারের রিজেন্ট টাওয়ার লকডাউন করে দিয়েছে পুলিশ। তবে ওই টাওয়ারের ২৮টি ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের অনেকে কর্মজীবী, তাদের অফিসে যেতে হয়। তাই পুরোপুরি লকডাউন করতে পারেনি পুলিশ। তবে যে ফ্ল্যাটটি থেকে রোগী শনাক্ত করা হয়েছে সেটি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বেইলি রোডের একটি ঠিকানা আইইডিসিআর থেকে দেওয়া হলেও ওই ঠিকানা খুঁজে পায়নি পুলিশ।

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাঈনুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। বাড়িটি পুরোপুরি লকডাউন করা যায়নি। কারণ, সেখানে অনেক বাসিন্দা রয়েছে।’

মতিঝিলে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখা লকডাউন
অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার এক কর্মকর্তা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় মতিঝিলের প্রিন্সিপাল শাখা লকডাউন করা হয়েছে। আগামী ১৪ দিন ওই শাখা লকডাউন থাকবে। ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শামসুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদাবরের লকডাউন এলাকা
আদাবরের ১৭ নম্বর সড়ক লকডাউন করেছে আদাবর থানা পুলিশ। ওই সড়কের একটি বাড়িতে একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর আদাবরের সব সড়কেই চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করেছে পুলিশ। ঘিঞ্জি এলাকাটিতে পুলিশের তল্লাশি চৌকিও বসানো হয়েছে। অপ্রয়োজনে কেউ বের হলেই তাকে পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে।

আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাহিদুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা মানুষকে নিরুৎসাহিত করছি যাতে বাসা থেকে কেউ বের না হয়।’

মোহাম্মদপুরে যেসব সড়ক লকডাউন

মোহাম্মদপুরের রাজিয়া সুলতানা রোডের একটি বাড়ি, তাজমহল রোডের একটি বাড়ি, কৃষি মার্কেট রোডের মুখে একটি বাড়ি লকডাউন, বাবর রোডের একটি বাড়ি এবং বসিলার উত্তরমোড়া এলাকার একটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এসব এলাকার সড়ক প্রথমে লকডাউন করা হলেও পরবর্তী সময়ে শুধু বাড়িগুলো লকডাউন করা হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার লকডাউন এলাকা

যাত্রাবাড়ী থানার মীরহাজীরবাগ এলাকার নবীনগর গলির একটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। ওই বাড়িতে বেসরকারি একটি টেলিভিশনের একজন ক্যামেরাপারসন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা একটা বাড়ি লকডাউন করে রেখেছি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাড়িটি লকডাউন থাকবে।’

ঢাকা মহানগরশেরেবাংলা নগর এলাকায় বস্তি লকডাউন

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় মোতাহার বস্তি লকডাউন করেছে পুলিশ। আইইডিসিআর-এর নির্দেশে বস্তিটি লকডাউন করা হয়েছে। শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সী বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বস্তিতে একজন রোগী করোনাভাইরাস পজিটিভ হওয়ায় আইইডিসিআর-এর নির্দেশে বস্তিটি লকডাউন করা হয়েছে।

কলাবাগান সেন্ট্রাল রোডে ছয়তলা বাড়ি লকডাউন

সেন্ট্রাল রোডের ছয়তলা একটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্র জানান, আইইডিসিআর থেকে আমাদের তালিকা দেওয়ার পর আমরা ছয়তলা একটি বাড়ি লকডাউন করেছি। এখন পর্যন্ত এই এলাকায় আর কোনও করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।

শাহবাগে যেসব এলাকা লকডাউন করা হয়েছে

শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পাশের একটি বাড়িতে একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছিল। লকডাউনের ১৪ দিন শেষ হবে আজ। ওই বাড়িতে আর কেউ আক্রান্ত হননি।


খিলক্ষেত নিকুঞ্জ-২ এর ১১ নম্বর রোড লকডাউন
খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ- ২ এর ১১ নম্বর রোড লকডাউন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর রোডটি লকডাউন করে দেয় পুলিশ।
খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, খিলক্ষেতের একটি এলাকা লকডাউন করা হয়েছে। মানুষকে নিরাপদে থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

হাজারীবাগে আটতলা বাড়ি লকডাউন

হাজারীবাগ থানা এলাকার পশ্চিম ধানমন্ডির বেকারির গলির আটতলা একটি ভবনে একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর ওই বাড়িটি লকডাউন করে দিয়েছে পুলিশ।

লালবাগ থানা এলাকায় দুটি সড়কে তিনটি বাড়ি লকডাউন

রাজধানীর লালবাগ থানা এলাকার লালবাগ সড়কে দুটি বাড়ি এবং বড়বাট মসজিদ এলাকায় একটি ভবন লকডাউন করেছে পুলিশ।

চকবাজারের খাজে দেওয়ান লেন লকডাউন

পুরান ঢাকায় খাজে দেওয়ান লেনে একটি মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি ও এক নারীর করোনাভাইরাসে সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ায় ওই এলাকার অর্ধশতাধিক বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

চকবাজার থানার ওসি মওদুত হাওলাদার জানান, যে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি সমাজে চলাচল করেছেন, তাই তার বাসার পাশের কয়েকটি বাড়ি এবং এক ও দুই নম্বর গলি লকডাউন করা হয়েছে।

বংশালের মেরিনার্স টাওয়ার লকডাউন

পুরান ঢাকার সিদ্দিকবাজার রোজ মেরিনার্স নামে একটি ভবন লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান বংশাল থানার ওসি শাহীন ফকির।

তিনি জানান, রোজ মেরিনার্স একটি মার্কেট, কিন্তু ওই মার্কেটের ওপরে ৪০টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ওই ফ্ল্যাটের ৫৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এজন্য ওই ভবনটি লকডাউন করা হয়েছে।

ওয়ারী এলাকায় দুটি ভবন লকডাউন

ওয়ারী থানা এলাকার বনগ্রাম রোডের একটি ভবন এবং র‌্যাংকিং স্ট্রিট রোডে একটি ভবন লকডাউন করেছে পুলিশ। ওই ভবন দুটিতে কাউকে প্রবেশ করতে এবং বের হতে নিষেধ করা হয়েছে।

পল্টনে দুই ভবন লকডাউন
পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডের দুটি ভবন লকডাউন করেছে পুলিশ। একটি ১৫ তলা ভবন, অপরটি ছয়তলা ভবন। ভবনটির বাসিন্দাদের বের হতে নিষেধ করা হয়েছে।

শাহজাহানপুরে দীপশিখা রোড লকডাউন

রাজধানীর শাহজাহানপুর থানার উত্তর শাহজাহানপুরের দীপশিখা রোডের চারতলা একটি বাড়িতে একজন রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ওই বাড়িটি লকডাউন করে দিয়েছে পুলিশ।

শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা আইইডিসিআর-এর তালিকা অনুযায়ী চারতলা একটি বাড়ি লকডাউন করেছি। পাশাপাশি দীপশিখা সড়ক দিয়ে মানুষকে চলাচল করতে নিষেধ করা হয়েছে।’

বাড্ডায় দুই ভবন লকডাউন

মহানগরীর বাড্ডা থানার উত্তর বাড্ডা এলাকার দুটি বাড়িতে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী মিলছে। এজন্য খানবাগ রোডের একটি বাড়ি এবং স্বাধীনতা সরণির একটি বাড়ি লকডাউন করেছে পুলিশ। প্রথমে দুটি সড়ক লকডাউন করা হলেও এখন তার বদলে দুটি বাড়ি লকডাউন করে রাখা হয়েছে।

সবুজবাগে একটি বাড়ি লকডাউন

রাজধানীর সবুজবাগের নন্দিপাড়ায় জিরো গলির একটি বাসায় ছয় ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সবাইকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই বাড়িটি লকডাউন করেছে পুলিশ।

সবুজবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভাটারায় পাঁচতলা ভবন লকডাউন

ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতাল সংলগ্ন পাঁচতলা একটি ভবন লকডাউন করেছে পুলিশ। বাড়িটিতে বাইরে থেকে কাউকে প্রবেশ না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। রোগী একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

উত্তরার যেসব এলাকা লকডাউন করে রাখা হয়েছে

উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের একটি সড়ক এলাকা লকডাউন করে রাখা হয়েছে। এছাড়াও দক্ষিণখানে একটি বাড়িতে এক যুবক আক্রান্তের খবর পাওয়া গেলেও তাকে সেই ঠিকানা অনুযায়ী পাওয়া যায়নি।

গুলশানে একটি বাড়ি লকডাউন
গুলশান ১-এর ১৫ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী পাওয়ার পর ওই সড়কটি এবং বাড়িটি লকডাউন করে দিয়েছে পুলিশ।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত একটি বাড়ি লকডাউন করেছি। এরপর আর নির্দেশনা আসেনি। সবাইকে সচেতনতায় পুলিশ কাজ করছে। অপ্রয়োজনে কাউকে বের না হওয়ার জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালানো হয়।’

তেজগাঁওয়ে আরজতপাড়ায় বাড়ি লকডাউন

তেজগাঁওয়ের আরজতপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে একজন রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ওই বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে।

পল্লবী থানা এলাকায় তিন বাড়ি লকডাউন

পল্লবী থানার (মিরপুর ১১) সেকশন ১১ বি-এর ১ নম্বর সড়কের তিনটি বাড়ি লকডাউন করেছে পুলিশ। ৪৬, ৪৮ ও ৫০ নম্বর বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। ৪৮ নম্বর ছয়তলা বাড়িটিতে একজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী ছিলেন। রোগী শনাক্ত হওয়ার পর বাড়িটির দুই পাশের বাড়িসহ লকডাউন করে পুলিশ।

মিরপুর মডেল থানা এলাকায় দুটি বাড়ি লকডাউন

মিরপুর মডেল থানা এলাকায় দুটি বাড়ি লকডাউন করেছে পুলিশ। একটি বাড়ি পীরেরবাগে, অপরটি শাহ আলীবাগে। দুটি বাড়িতেই করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রোগী শনাক্ত হওয়ার পর আইইডিসিআর-এর আদেশে আমরা বাড়ি দুটি লকডাউন করে দিয়েছি।

কাফরুল থানা এলাকায় দুটি বাসা লকডাউন
কাফরুল থানার মিরপুর ১৩ সেকশনের ১/১ রোডের ৪২ ও ৪৩ নম্বর বাসা লকডাউন করেছে পুলিশ। বর্তমানে ওই সড়ক পুলিশ পাহারায় রাখা হয়েছে।

দারুস সালাম থানা এলাকায় লকডাউন

দারুস সালাম থানা এলাকার উত্তর টোলারবাগের একটি আবাসিক এলাকার পুরোটা লকডাউন করে রাখা হয়েছে। দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সেখানে দুজন রোগী শনাক্ত হওয়ার পর পুরো আবাসিক এলাকা লকডাউন করা হয়েছে। এখনও সেই অবস্থায় রয়েছে।’

শাহ আলীতে একটি বাড়ি লকডাউন

ডিএমপির শাহ আলী থানার সি-ব্লকের ১১ নম্বর সড়কের একটি ছয়তলা বাড়ি লকডাউন করেছে পুলিশ। শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাড়িটিতে একজন রোগীর করোনাভাইরাস পজিটিভ হয়েছে। তাই আমরা বাড়িটি লকডাউন করেছি। সড়কে মানুষ চলাচল সীমিত করার অনুরোধ করা হয়েছে।’

গেন্ডারিয়ায় চারতলা ভবন লকডাউন

রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানার গুরুদাস লেনে চারতলা একটি ভবন লকডাউন করেছে পুলিশ। ওই ভবন থেকে একজন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

পুরান ঢাকার আরও যেসব এলাকায় লকডাউন করা হয়েছে

বাবুবাজারের একাংশ, উর্দু রোড, ইসলামপুরের একাংশ, লক্ষ্মীবাজার ও সোয়ারিঘাটের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নতুন তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা ২০। নতুন করে ৫৪ জন শনাক্ত হয়েছেন এবং মোট শনাক্তের সংখ্যা হলো ২১৮। নতুন শনাক্ত ৫৪ জনের মধ্যে ৩৯ জন ঢাকার অধিবাসী। এছাড়াও একজন ঢাকার অদূরে, বাকিরা ঢাকার বাইরের অধিবাসী।

এই সময় জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ সংক্রান্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৯৮৮টি, পরীক্ষা হয়েছে ৯৮১টি। এর মধ্যে ৫৬৩টি ঢাকায় এবং ৪২৫টি ঢাকার বাইরে।

/টিএন/এমওএফ/

লাইভ

টপ