জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিজিটাল প্রচারণার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিধানে যুক্ত করে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা সংশোধনের নামে নির্বাচন কমিশন নতুন একটি কালো আইন করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তার দাবি, আওয়ামী লীগের ভোট সন্ত্রাস যাতে প্রচার না হয় সে জন্যই এ নতুন আইন করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নতুন আইনটি করা হচ্ছে সরকারি কারসাজি আড়াল করতে, অবাধ তথ্যপ্রবাহের হাত-পা কেটে ফেলার জন্য।’ রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এই আইনে থাকবে, তফসিল ঘোষণা থেকে শুরু করে নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত প্রচারণায় ইলেকট্রনিক মাধ্যম, ডিজিটাল ডিসপ্লে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার, ভাইবারসহ অন্যান্য মাধ্যমে প্রচারণা চালানো যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘এই আইনে কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী প্রচারণা চালালে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত দণ্ডিত হবেন। যেটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের চরম পরিপন্থি। নির্বাচনে শুরু থেকে গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত বিভিন্ন অনিয়ম, প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, নমিনেশন পেপার জমাদানে বাধা, ছিনতাই, প্রচারণায় বাধা, ভাঙচুর, জবরদস্তি, ভোটকেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতি, ব্যালট পেপার ছিনতাই করে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা।’
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিযোগ দেওয়ার পর থেকে বলে আসছি— তিনি সরকারের সবুজ সংকেত ছাড়া কোনও কাজ করবেন না। প্রধানমন্ত্রীর এজেন্ডা বাস্তবায়নই তার প্রধান কাজ।’







