সংসদে বিরোধী দলের এমপিদের অভিযোগ

কিছু পুলিশ সদস্যের দুর্নীতির কারণে সরকারের বদনাম হচ্ছে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
৩০ জুন ২০২২, ২০:৫৫আপডেট : ৩০ জুন ২০২২, ২০:৫৭

পুলিশের কিছু সদস্যের দুর্নীতির কারণে সরকারের বদনাম হচ্ছে অভিযোগ করে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বলেছেন, পুলিশ এখন জনকল্যাণে নয়, আওয়ামী লীগের নিরাপত্তায় নিয়োজিত।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় তারা এসব কথা বলেন।

বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, পুলিশ এখন জনকল্যাণে নয় আওয়ামী লীগের নিরাপত্তা কল্যাণে নিয়োজিত। দেশে একটি আতঙ্কজনক পরিবেশ বিরাজ করছে। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ হয়নি। এক্ষেত্রে পুলিশ এগিয়ে, তারপর র‌্যাব।

বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, সরকার আগামী নির্বাচন নিয়েও নীল নকশা করছে। তার একটি আলামত হল বেসরকারি সংস্থা অধিকারের নিবন্ধন সরকার নবায়ন করেনি।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক বলেন, কিছু কিছু পুলিশ কর্মকর্তার দুর্নীতি নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। অনেক কর্মকর্তা গুলশান বনানীতে বিলাসী জীবন যাপন করেন। এদের কারণে সরকারের বদনাম হয়। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে সরকারের জন্য ভাল।

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, পুলিশ যারা অপকর্ম করে তাদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। একজন ডিআইজি থেকে শুরু করে অনেক সদস্য এখন জেলে।

স্বাস্থ্যখাতের সমালোচনা

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের মঞ্জুরি দাবির আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির হারুন অভিযোগ করেন, হাসপাতালে নিয়োগ ও ভর্তিতে, কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে।

জাতী পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অব্যবস্থাপনা দুর্নীতি অনেক বছর ধরেই চলে আসছে। চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর মানুষের ভরসা নেই। সবাই বিদেশে যাচ্ছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, চিকিৎসার জন্য বিপুল সংখ্যক মানুষ বিদেশ যাচ্ছে। কারণ দেশে স্বাস্থ্য সেবার ওপর মানুষের অনাস্থা। এই খাত সরকারের চরম অমনোযোগ ও অব্যবস্থাপনার শিকার। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় থাকা উচিত। এগুলো বেসরকারি খাতে গেলে ব্যবসায় হয়ে যায় মূল। 

জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, ব্যাঙের ছাতার মত দেশে ক্লিনিক হাসপাতাল গড়ে ওঠেছে। এগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেই, মান নেই। এতে জনগণ হয়রানির শিকার হচ্ছে। সংসদ ভবনের যে ক্লিনিক আছে সেখানেও চিকিৎসার কিছুই নেই।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ১৭ কোটি মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা দেশেই করা হয়েছে। কোভিডকালে সেটা দেখা গেছে, সবাই দেশেই চিকিৎসা নিয়েছেন, কাউকে বাইরে যেতে হয়নি। কিছুক্ষেত্রে অনেকে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আসে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালগুলোর জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী যন্ত্রপাতি কেনাকাটা হয়।

 

/ইএইচএস/এমআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম