ছাত্রলীগকর্মীকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে শিক্ষার্থীরা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৮ আগস্ট ২০২৪, ১৭:৩৫আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২৪, ১৮:১৭

রাজধানীর কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গণধোলাই খাওয়া ছাত্রলীগকর্মীর নাম মো. শিহাব। তিনি কবি নজরুল কলেজের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হাওলাদারের অনুসারী।

শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত কবি নজরুল সরকারি কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হুমকি দিয়েছেন শিহাব। এছাড়াও ক্যাম্পাসে অবস্থানকালে ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হয়রানি করতেন।

কবি নজরুল কলেজের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, শিহাব হলের শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক ছাত্রলীগের প্রোগ্রামে নিয়ে যেতো। যারা যেতো না তাদের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্যাতন চালানো হতো। ছাত্রলীগের প্রোগ্রামে না গেলে হলে জায়গা হতো না শিক্ষার্থীদের। ফলে বাধ্য হয়ে সবাই প্রোগ্রামে যেতো।

গণধোলাইয়ের সময় ছাত্রলীগের এই কর্মী হলে মাদকের ব্যবসা ও বহিরাগতদের নিয়ে মাদক সেবনের কথা অবলীলায় স্বীকার করেন। এছাড়া পূরান ঢাকায় বাস ও ট্রাক থেকে চাঁদা ওঠানোর কথাও স্বীকার করেছেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কবি নজরুল কলেজ শাখার একজন সমন্বয়ক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা আন্দোলন করার সময় এই ছাত্রলীগ নামক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। পুরো ক্যাম্পাস দখলে রেখে তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতো। তাদের ইচ্ছার বাইরে কোনও শিক্ষার্থী কথা বলতে পারতো না। যেসব শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছে আজ তারা ক্ষিপ্ত হয়ে এই ছাত্রলীগকর্মীকে মারধর করেছে। পরবর্তীতে আমরা তাকে সূত্রাপুর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি।

/এএইচএস/আরআইজে/
সম্পর্কিত
রাজশাহীতে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
কিশোর গ্যাং ধরে তাবলীগে পাঠাবো: পুলিশ সুপার
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী