ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর)। এদিন আজিমপুর কবরস্থানে তার কবর জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠানে বাবার স্মৃতিচারণ করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
ঢাকা-৬ আসনে নৌকার প্রার্থী সাঈদ খোকন বলেন, ‘আমার প্রায়াত পিতা মোহাম্মদ হানিফ ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের পাঁচবারের নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। তিনি বর্ণাঢ্যময় রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। কৈশোর বয়স থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর ঢাকা শহর ও দেশের মানুষের জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। নগরের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। তিনি যে আদর্শ রেখে গেছেন, আমরা যেন সে আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে চলতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময় মানবঢাল রচনা করে প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার জীবন রক্ষা করেছিলেন আমার প্রয়াত পিতা মোহাম্মদ হানিফ। তিনি এ দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, যাতে আমরা সব সময় নেত্রীর পাশে থাকতে পারি। আমরা সেই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করবো। আমরা নেত্রীর সঙ্গে থাকবো। কারণ শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশ, শেখ হাসিনা মানেই উন্নত, সমৃদ্ধ-নিরাপদ বাংলাদেশ।’
সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পন্নের পর স্মার্ট বাংলাদেশের একটি ভীষণ বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সামনে রেখেছেন। আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশবাসী এবং নগরবাসীর কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার হাতে প্রধানমন্ত্রীত্বের দায়িত্ব এবং দেশের দায়িত্ব আবারও অর্পণ করতে চাই।’
এ সময় তিনি মেয়র মোহাম্মদ হানিফের জন্য ঢাকাবাসীসহ দেশের মানুষের কাছে দোয়া চান। কবর জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসহ সব সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মেয়র মোহাম্মদ হানিফের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পৃথক বাণী দিয়েছেন।








