বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, দেশের নির্বাচনব্যবস্থা মহাশ্মশানে পরিণত হয়েছে। আর এই ব্যবস্থা চলতে থাকলে আগামী দিনের যেকোনও নির্বাচন আওয়ামী লীগের ঘরোয়া অনুষ্ঠানে পরিণত হবে। রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার বিকেলে চতুর্থ দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে রিজভী আহমেদ এ অভিযোগ করেন।
রিজভী অভিযোগ করেন- প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা নির্বাচনের মতো চতুর্থ দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সরকার ভোট জালিয়াতির মহোৎসব চালিয়ে সব কেন্দ্র দখল করবে।
রিজভী বলেন, ‘৪৭টি জেলার ৭০৩টি ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল করে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ব্যালট পেপারে সিল মেরে, জালভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স ভরে রেখেছে। আইন অনুযায়ী সকাল ৮টায় ভোট শুরু হওয়ার কথা থাকলেও গতকাল রাত থেকেই ক্ষমতাসীনরা ব্যালট বাক্স ভরে রেখেছে। বাকিটা সকালে সব ভোটকেন্দ্র দখল করে নিয়ে কাজ সেরেছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাসীনদের কেন্দ্র দখল ও জালিয়াতির কথা জানালেও তারা কোনও পদক্ষেপ নেননি। বরং প্রশাসন সরকার দলীয় প্রার্থীদের সহযোগিতা করেছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন মায়ার নেতৃত্বে কয়েকটি ভোটকেন্দ্র দখল করে নেওয়া হয়েছে। মায়া আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার পরও প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারছে। আর মারবেন না কেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার পরও যে তার মন্ত্রিত্ব বহাল আছে। তার কাছে গণতন্ত্রই কি আর নির্বাচনই বা কি!’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হারুন উর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মোস্তাক মিয়া, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবেদ রাজা প্রমুখ।
/এসটিএস/এএইচ/








