বিচারের নামে সরকারের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটি মনে করে, খালেদা জিয়াসহ কয়েকজন নিরাপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়েছে সরকার। তাই আইন-আদালত বিরুদ্ধ সরকারের এই আচরণের বিরুদ্ধে দেশবাসীর ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত।
শনিবার রাতে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব তথ্য জানান। এর আগে রাত সাড়ে ৯টায় খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকেই দলের অবস্থান সম্পর্কে সিদ্ধান্ত জানানো হয়। যা পরে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের জানান।
মির্জা ফখরুল জানান, হঠাৎ করেই খালেদা জিয়ার রায় আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করার বিষয়টি শুধু অপ্রত্যাশিতই নয়, রহস্যজনকও। স্থায়ী কমিটি মনে করে, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বাইরে রাখার জন্য দ্রুত রায় ঘোষণা সরকারের অপচেষ্টার অংশ।
স্থায়ী কমিটি আরও জানায়, জাল-জালিয়াতি করে বিচারের নামে প্রহসন এবং বিরোধীদলকে দমন করতেই আদালতে ব্যবহার করার আরেকটি নোংরা দৃষ্টান্ত স্থাপিত হতে যাচ্ছে। বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন নিয়ে উদ্বিগ্ন, ক্ষুব্ধ ও ক্রুদ্ধ তারা।
কর্মসূচির বিষয়ে ফখরুল বলেন, ‘আগে রায় আসুক, তারপর এ বিষয়ে বলব।’ আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমরা এই রায়কে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ। আগেও বলেছি, এটি নিরপেক্ষ নির্বাচন বন্ধ করতে গভীর ষড়যন্ত্র।’
খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন- মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।







