উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণকে ঘিরে চলছে সরকারের বিকৃত তামাশা: রিজভী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২২ মার্চ ২০১৮, ১৫:২০আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৮, ১৬:৫৬

রুহুল কবির রিজভী ক্ষমতাসীন সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘স্বল্পোন্নত অবস্থান থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতি পাওয়ায় সরকারের কর্মসূচি এক বিকৃত তামাশা। ঢাকা শহরের সব রাস্তাঘাট অচল হয়ে গেছে। জনজীবন সম্পূর্ণভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে আছেন সাধারণ মানুষ।’ বৃহস্পতিবার (২২ মার্চ) রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘উন্নয়নের নামে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিম্মি করে আওয়ামী লীগের যে কোনও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে বাধ্য করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশে গণতন্ত্র স্বরবিদ্ধ ও সুশাসন আওয়ামী চাকায় পিষ্ট। এই গণতন্ত্রহীন দেশে লুটপাটের নামে জনগণের টাকা আত্মসাৎকে উন্নয়ন বলছে তারা।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন এই রাজনীতিবিদ। তার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় খরচে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করে নৌকায় ভোট চাইছেন। তিনি মনে করেন, ‘সরকারি কর্মচারীদের যেভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নির্বাচনি আচরণবিধির সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এসব দেখেও না দেখার ভান করে সরকারকে সহায়তা দিচ্ছে।’
সরকারকে উদ্দেশ্য করে রিজভীর ভাষ্য, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দলনিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সম্পন্ন করতে বাধ্য হবেন আপনারা। আপনাদের সব চক্রান্ত ও নীলনকশা জনগণের সম্মিলিত শক্তির অভিযাত্রায় প্রতিহত করা হবে। আমাদের চেয়ারপারসনকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কারাবন্দি রেখে বিএনপিবিহীন নির্বাচন করার খায়েশ কখনোই পূরণ করতে পারবেন না। খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে নির্বাচনই হবে না।’

রিজভীর দাবি— খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাননি। দেশের একজন নাগরিক হিসেবে তাকে ন্যায্য-বিচার-প্রক্রিয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তার কথায়, ‘বিচার বিভাগকে অবশ্যই সরকারের প্রভাবমুক্ত হতে হবে। আদালত নিরপেক্ষ না থাকলে নাগরিকরা নিজেদের ডিফেন্ড করতে পারবেন না, তখন বিচারের বাণী পরিণত হয় সরকারের বাণীতে।’

/এসটিএস/জেএইচ/
সম্পর্কিত
‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না’
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
থানার ভেতরে আটকে বিএনপি নেতাকে মারলো কারা?
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী