জাতীয় সরকারের প্রস্তাবে আশার আলো দেখছে বিএনপি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
৩০ মার্চ ২০২২, ১৭:৫৪আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২২, ১৭:৫৪

নির্বাচনকালে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের পরে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে জাতীয় সরকার গঠন এবং বিদ্যমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে—তারেক রহমান ঘোষিত উদ্যোগের মধ্য দিয়ে জনগণের মধ্যে আশার আলো সঞ্চারিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

দলটির স্থায়ী কমিটি মনে করে, সম্প্রতি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রদত্ত বক্তব্যে সুস্পষ্টভাবে রাজনৈতিক দিক-নির্দেশনা ব্যক্ত করা হয়েছে। একটি স্পষ্ট দিক নির্দেশনা।

বুধবার (৩০ মার্চ) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নতুন এই দলীয় কৌশল নির্ধারণের জন্য দলের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

সভায় সম্প্রতি বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের দায়ে অভিযুক্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত পুলিশের আইজিপি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের ঔদ্ধত্যপূর্ণ উক্তি, অপেশাদারি আচরণ, হুমকি ও অব্যাহত মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বিএনপি মনে করে, এই ধরনের মন্তব্য শুধু শিষ্টাচার বিবর্জিতই নয় তা রাষ্ট্রের জন্য এবং গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক। অবিলম্বে এই ধরনের বক্তব্যের জন্য তাদের ক্ষমা প্রার্থনা করার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় সরকার কর্তৃক হঠাৎ করে ১৭ হাজার ২৮২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার মাসিক ভাতা বন্ধে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভা মনে করে—একদিকে যখন দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তখন এই ধরনের পদক্ষেপ সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে ফেলবে।

এতে আরও বলা হয়, ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বিমানের ঢাকা-টরেন্টো পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে কর্মকর্তাদের প্রমোদ ভ্রমণ, অন্যদিকে টিসিবির ট্রাকের পেছনে অভাবী মানুষের দীর্ঘ লাইন, আওয়ামী সচ্ছল পরিবারদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয়ের কার্ড বিতরণ জনগণের সঙ্গে চরম প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। যেহেতু এই অনির্বাচিত সরকারের কোনও দায়বদ্ধতা নেই সেহেতু জনগণের দুর্ভোগ ও দুঃখ-কষ্ট লাঘবের কোনও উদ্যোগও এই সরকারের নেই বলে সভা মনে করে।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় উপস্থিত ছিলেন—দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান প্রমুখ।

এ সংক্রান্ত বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিবেদন: বিএনপি কেন নির্বাচনের পর ‘জাতীয় সরকার’ চায়?

/এসটিএস/এমএস/
সম্পর্কিত
‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না’
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
থানার ভেতরে আটকে বিএনপি নেতাকে মারলো কারা?
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী