X
সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪
১০ আষাঢ় ১৪৩১

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের: মঈন খান

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৫ মে ২০২৪, ১৮:০২আপডেট : ০৫ মে ২০২৪, ২০:৫৩

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, আজকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও কথা বলার অধিকার নিয়ে মানুষকে সংগ্রাম করতে হচ্ছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার সব দায়দায়িত্ব সরকারের। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সাধারণ মানুষ বাধা দেয় না, মানুষের কথায় বলায় আরেকজন বাধা দেয় না, বাধা দেয় সরকার।

রবিবার (৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশ গণতন্ত্রের আদর্শে সৃষ্টি হয়েছিল। আর গণতন্ত্র রক্ষার মূল কবজ হচ্ছে মুক্ত গণমাধ্যম। আজকে সেই গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে নতুন করে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করবো। এটাই হোক বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে আমাদের শপথ।’

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। কিন্তু বিশ্বে এমনও আলোচনা হয়েছে—গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ নয়, প্রথম স্তম্ভ। মিডিয়া একটি রাষ্ট্রের শক্তির চেয়েও বেশি শক্তিশালী। কারণ সরকার যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন, মিডিয়া অন্যায়কে প্রকাশ করে দিয়ে একটি রাষ্ট্রকে ভাঙতে পারে, নতুনভাবে গড়তেও পারে। এই সত্য আজকের সরকার যতই উপলব্ধি করবে, ততই তাদের জন্য ভালো হবে।’

মঈন খান বলেন, ‘বর্তমান সরকার নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে। সেই স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল গণতন্ত্র। দেশে যদি গণতন্ত্র না থাকে, একদলীয় শাসন কায়েম হয়ে থাকে, মুক্ত চিন্তা বিকাশের সুযোগ না থাকে, ১৮ কোটি মানুষকে যদি আওয়ামী লীগের চিন্তা-ভাবনা অনুযায়ী একই লাইনে চলতে বাধ্য করা হয়—সেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকে না।’

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘জাতীয় প্রেস ক্লাবের অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনিই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠাতা করেছিলেন। আজকে আওয়ামী লীগ তাকে সৈনিক বলে সম্বোধন করে। একজন সৈনিক যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারেন, তাহলে আওয়ামী লীগ কেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা দেয়?’

সভাপতির বক্তব্যে বিএফইউজে সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, ‘গত ১৫ বছরে ৬০ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। সাগর-রুনির হত্যার আজও বিচার হয়নি। এমপি-মন্ত্রী বা সরকারদলীয় লোকজনের দুর্নীতির রিপোর্ট প্রকাশ করলেই সাংবাদিকের ওপর নেমে আসে নির্মম নির্যাতন।’ গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে আজকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সর্বপ্রথম নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের মহাসচিব ও বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সহসভাপতি রাশেদুল হক, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব বাছির জামাল প্রমুখ।

/এএজে/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
আজ খুলছে অফিস আদালত, চলবে নতুন সময়সূচিতে
কাঁচা চামড়ার কদর এবার কিছুটা বাড়বে
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর নতুন প্রেস সচিবের শ্রদ্ধা
সর্বশেষ খবর
১০ মাসে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয়রা নিয়ে গেছে ৫১ মিলিয়ন ডলার
সংসদে অর্থমন্ত্রী১০ মাসে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয়রা নিয়ে গেছে ৫১ মিলিয়ন ডলার
ঘরোয়া উপায়ে খুশকি সামলাবেন যেভাবে
ঘরোয়া উপায়ে খুশকি সামলাবেন যেভাবে
‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ প্রিয়তার নতুন অর্জন
‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ প্রিয়তার নতুন অর্জন
বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ইউজিসির
বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ইউজিসির
সর্বাধিক পঠিত
ওসিকে ধাক্কা দিয়ে চাকরি হারালেন সেই এএসআই
ওসিকে ধাক্কা দিয়ে চাকরি হারালেন সেই এএসআই
আঠাবিহীন কাঁঠাল চাষে চমক, তিন মাসেই ফল, দেবে বারো মাস
আঠাবিহীন কাঁঠাল চাষে চমক, তিন মাসেই ফল, দেবে বারো মাস
‘কক্সবাজারে সেনানিবাস না থাকলে দখল করে নিতো আরাকান আর্মি’
‘কক্সবাজারে সেনানিবাস না থাকলে দখল করে নিতো আরাকান আর্মি’
৭৭ বছর পর ট্রেন যাবে কলকাতায়, রাজশাহীতে উচ্ছ্বাস
৭৭ বছর পর ট্রেন যাবে কলকাতায়, রাজশাহীতে উচ্ছ্বাস
‘জল্লাদ’ শাহজাহান মারা গেছেন
‘জল্লাদ’ শাহজাহান মারা গেছেন