জামায়াতের আমিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: সেলিমা রহমান

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:৪৮আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:৪৮

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, নারীদের প্রতি কটূক্তির দায়ে জামায়াতের আমিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। না হলে নারী সমাজের মনে যে ক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যালটেই এর জবাব পাবেন। দলের আমিরের এ ধরনের অবমাননাকর বক্তব্যের পরও জামায়াতের নারী নেত্রীদের নীরবতা লজ্জার।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নারীদের নিয়ে জামায়াতের আমিরের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে মহিলা দলের বিক্ষোভ মিছিলের আগে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস।

সেলিমা রহমান বলেন, জামায়াতের আমির নারীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ ক্ষোভে ফুসে উঠেছে। কারণ দলটি নারী সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অনলাইনে নারীদের নিয়ে আজেবাজে মন্তব্য করছে। আমাদের সন্দেহ হচ্ছে, বিগত সরকারের সময়ে নারী নির্যাতনের নেপথ্যে তারাই জড়িত ছিল কিনা।

তিনি বলেন, জামায়াতের আমিরের মন্তব্যে আমরা লজ্জিত হচ্ছি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। অথচ জামায়াত সবসময় নারীদের হেয়প্রতিপন্ন করে কথা বলছে। কই নারীরা কাজ করাতে আমাদের তো কিছু মনে হচ্ছে না। তাহলে আপনার কাছে কেন মনে হয়েছে? তার মানে আপনারা নারীদের সম্মান করতে জানেন না। বিএনপি একটি নারীবান্ধব দল। তাই দেশের নারীরা বিএনপিকে গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে নারীদের বন্দি করার দিন শেষ। তারা প্রতিবাদ করতে শিখেছে। তাই জামায়াতকে সাব ধরনের কথা বলা উচিত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত দিনে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জামায়াতের কোনও অবদান নেই। তারা শুধু নেতাদের জন্য লড়াই করেছে। গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেনি। একাত্তরেও তারা এমনটি করেছে। তখন আমাদের মা-বোনদের পাক সেনারা ধরে নিয়ে গেলেও তারা প্রতিবাদ করেনি।

মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেন, নারীদের নিয়ে জামায়াতের আমিরের কটূক্তিতে আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তিনি তার স্ত্রী ও মাকে অসম্মান করতে পারেন না। এ বিষয়ে জামায়াতের নারী নেত্রীদেরও প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। কারণ তিনি সমগ্র বাংলাদেশের নারী সমাজের অপমান করেছেন। জামায়াতে ইসলামী একাত্তরেও নারীদের নির্যাতন করেছে। তিনিও জামায়াতের আমিরকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

/এমকে/আরকে/
সম্পর্কিত
‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না’
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
থানার ভেতরে আটকে বিএনপি নেতাকে মারলো কারা?
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী