বিএনপির আলোচনায় যুগপৎ সঙ্গীদের নিয়ে ‘জাতীয় সরকার’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:৫০আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:২৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দলের এমন সাফল্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপি সরকার গঠনে যুগপৎ সঙ্গীদের রাখতে যাচ্ছে। মূলত, তাদের একটি জাতীয় সরকার গঠন করার ইচ্ছা রয়েছে। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

গুলশানের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে যারা ছিল, তাদের নিয়েই ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও জাতীয় সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একটা কথা বুঝতে হবে, বাংলাদেশের যেকোনও কঠিন সময়ে, ক্রান্তি লগ্নে দেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ওপর আস্থা রাখে। এবারও সেটাই হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ বিএনপি এবং তার নেতৃত্বের ওপর আবারও আস্থা রেখেছে।”

তিনি আরও বলেন, “মানুষ জানে কঠিন সময় থেকে একমাত্র উত্তরণ করতে পারবে জাতীয়তাবাদী দল। বিএনপির নেতৃত্বে তারেক রহমান যে পরিকল্পনার কথা বলেছেন, প্ল্যানের কথা বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ এটার ওপর আস্থা রেখেছেন। দেশের জনগণের আস্থা অর্জন করেছি, আস্থাটা রাখতে হবে। এটা অনেক বিশাল কাজ।”

সংসদে বিরোধী দলের প্রতি আচরণ কেমন হবে জানতে চাইলে আমীর খসরু বলেন, “যত বেশি রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মাধ্যমে আপনি আপনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন গণতন্ত্র তত শক্তিশালী হবে। আমরা যে গণতন্ত্র, বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলছি, সেখানে রাজনৈতিক শিষ্টাচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেটার ক্ষেত্রে সেটা সংসদের ভেতরে হোক আর বাইরে হোক।”

প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বিএনপির আগামীর সম্পর্কটা কেমন হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এটা বিগত দিনে, সব সময় ভালো ছিল, তা-ই থাকবে। বিএনপির কোনও নির্দিষ্ট দেশকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি নাই। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা।”

/এসও/এবিএম/এমওএফ/
সম্পর্কিত
‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না’
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
থানার ভেতরে আটকে বিএনপি নেতাকে মারলো কারা?
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে