বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ঘিরে সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে থাকা একটি বাগান নিয়ে পোস্ট দিয়েছে বিএনপি। দলটির দাবি, আরাফাতে থাকা বহু নিমগাছ ‘জিয়া ট্রি’ নামে পরিচিত।
আজ বুধবার (২৭ মে) বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করা হয়। সেখানে বলা হয়, সৌদি বাদশাহ খালিদ বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে জিয়াউর রহমান বিমানের কার্গোভর্তি নিমগাছের চারা নিয়ে গিয়েছিলেন, যা আরাফাতের ময়দানে লাগানো হয়।
পোস্টে একটি কথোপকথনের বর্ণনাও তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, সৌদি বাদশাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জিয়াউর রহমান বলেন, ‘তোমার দেশে যা নেই, আমার দেশে তা আছে। আবার আমার দেশে যা নেই, তা তোমার দেশে আছে।’ পরে তিনি বলেন, ‘আমার দেশে অনেক পরিশ্রমী মানুষ আছে। তারা অনেক কাজ করতে পারে। আর তোমার দেশে যেমন কাজ আছে, তেমনি টাকাও আছে।’
বিএনপির পোস্টে দাবি করা হয়, এই উদ্যোগের মধ্য দিয়েই প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি শুরু হয়। একই সঙ্গে বিদেশে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বিবেচনায় দেশে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন জিয়াউর রহমান।
পোস্টে আরও বলা হয়, বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি কাজ করছেন। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, কাতার ও বাহরাইনেও বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের শ্রমবাজার তৈরির ‘একক কৃতিত্ব’ জিয়াউর রহমানের বলে দাবি করেছে বিএনপি।
আরাফাতের ময়দানের নিমগাছ প্রসঙ্গে পোস্টে বলা হয়, সৌদি নাগরিকেরা এসব গাছকে ‘জিয়া ট্রি’ নামে চেনেন। কারণ, জিয়াউর রহমান উপহার হিসেবে এসব গাছ সেখানে পাঠিয়েছিলেন।
এ ছাড়া ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং পরবর্তী সময়ে খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতির বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে পোস্টে। বিএনপির দাবি, ‘শহীদ জিয়ার সবুজ বিপ্লবের কারণেই’ বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে যায়।









