বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন। রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করতে কক্সবাজারের উদ্দেশে শনিবার সকাল ১০টায় রওয়ানা দিয়ে তিনি রাত ১০টায় চট্টগ্রাম এসে পৌঁছান। আগামীকাল রবিবার সকালে কক্সবাজারের উদ্দেশে তিনি রওয়ানা দেবেন।
বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবীর খান বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন রাত ১০টা নাগাদ চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছেন। তিনি নগরীর এহতেশাম রোড দিয়ে প্রবেশ করেন। আজ রাত তিনি সার্কিট হাউজে রাত্রী যাপন করবেন। সকালে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন।’
তিনি জানান, চট্টগ্রাম নগরীর লক্ষ লক্ষ জনতা তাকে স্বাগত জানাতে দাঁড়িয়ে আছেন। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানান।
এদিকে খালেদা জিয়ার আগমনকে কেন্দ্র করে নগরীতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য চট্টগ্রামের প্রভাবশালী বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশের জনপ্রিয়তম নেত্রী হচ্ছেন খালেদা জিয়া। তার আগমনে বিএনপি নেতাকর্মী ও ভক্ত অনুসারীরা উজ্জীবীত। আমরা সারাদিন তার অপেক্ষা করেছি। তিনি এসেছেন। আগামীকাল তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন। তাকে স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীরা প্রস্তুত।’
এর আগে তিনি শনিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজাররে উদ্দেশে ঢাকা থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে তিনি ফেনীতে যাত্রাবিরতি করেন। এরপর তিনি সন্ধ্যার পর চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওয়ানা করে সার্কিট হাউজ এসে পৌঁছান।
ফেনীতে যাত্রা বিরতিকালে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে একাধিক স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় সফরের সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বরত দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে বাংলা ট্রিবিউনের সাংবাদিককে বহনকারী একটি গাড়িসহ বৈশাখী টিভি ও ডিবিসি টিভির মোট তিনটি গাড়ি। এছাড়াও জেলার লালপুলে বিএনপি নেত্রীর গাড়িবহরে থাকা নেতা-কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা একটি হোটেলেও ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন:
খালেদার গাড়িবহরে হামলা: ৩ গাড়িসহ টিভি ক্যামেরা ভাঙচুর, আহত ২
ফেনীতে খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানানোর ব্যানার ফেস্টুনে আগুন
ফেনীতে খালেদা জিয়ার দুপুরের খাবারের মেন্যুতে ৩০ পদ
খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিতে আশ্বাস দিয়েছেন আইজিপি: মির্জা ফখরুল








