২০ দলীয় জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ সন্ধ্যার পর আমি এবং জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রেডি করলাম। এরপর তিনি রেডিওতে ঘোষণা দিলেন। এই ঘোষণা প্রতি এক ঘণ্টা পর পর প্রচারের জন্য শমসের মুবিনকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। যাতে বাংলার জনগণ সবাই শুনতে পারে।
শনিবার (২০ মার্চ) বিকালে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে এলডিপি আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।
অলি আহমদ বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বসে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রেডি করি। জিয়াউর রহমানের যদি দুরভিসন্ধি থাকতো তাহলে বঙ্গবন্ধুর নাম নেওয়ার কোনও প্রশ্ন আসতো না।
জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম উপাধি বাতিলের প্রস্তাবের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের পেছনে লেগে লাভ নাই। যদি তার বীর উত্তম খেতাব বাতিল করা হয় তাহলে ভবিষ্যতে তাকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হবে।’
অলি আহমদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের একজন নেতার নাম বলেন যিনি বীর উত্তম, বীর বিক্রম বা বীর প্রতীক ছিলেন। একজন সেক্টর কমান্ডারের নাম বলেন যিনি আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। সবাই তো সেনাবাহিনীর। সেনাবাহিনী না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। ঢাকায় ক্র্যাক-ডাউনের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেজর জিয়ার নেতৃত্বে আমরা অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকরা বিদ্রোহ করি। জিয়াউর রহমানের ঘোষণা শোনার পর সবার মধ্যে চেতনা আসলো যে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে আমাদের তাতে অংশ নিতে হবে। ২৯ মার্চের আগে কেউ যুদ্ধে শামিল হয়নি।’
সভায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর রেদোয়ান আহমেদ সভাপতিত্ব করেন।







