বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির যে ইঙ্গিত সরকারের তরফে এসেছে—এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি সরকার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। কিছু দিন পূর্বে জ্বালানি তেলের মূল্য লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে সকল ধরনের পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের জীবনে এক চরম দুরবস্থা বিরাজ করছে। নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষেরা অভুক্ত থেকে দিনাতিপাত করছে। এর ওপরে আবার এই মূল্যবৃদ্ধির বোঝা জনজীবনে চরম সংকট নিয়ে আসবে।’
শনিবার (১৮ জুন) রাজধানীর গুলশানের বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির যৌথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে এই অজুহাত তুলে সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে। ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে অর্ধেক মূল্যে জ্বালানি তেল কিনছে। রাশিয়া বাংলাদেশকেও আন্তর্জাতিক বাজারের প্রায় অর্ধেক মূল্যে জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। এর কারণ দেশবাসী এখনও জানে না।’
গানি বলেন, দফায় দফায় এই মূল্যবৃদ্ধি জনদুর্ভোগ চরম আকারে নিচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসাতে হবে।
বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানির সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—দলের মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, লেবার পার্টি চেয়ারম্যান হামদুল্লাহ আল মেহেদী ও মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন।
সভায় অবিলম্বে সিলেট, সুনামগঞ্জ, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামসহ দেশের যেসব অঞ্চল বন্যা ও নদীভাঙনের কবলে পড়েছে, সেসব এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে সরকারি ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানোর জোর দাবি জানিয়ে সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সচ্ছল ও বিত্তবান মানুষকেও দ্রুততার সঙ্গে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।









