বাংলাদেশের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসানীতির ঘোষণাকে ‘বিশ্ব পরিসরে মার্কিনি মোড়লিপনা’র সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। শনিবার (২৭ মে) দলের পলিটব্যুরোর এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।
ওয়ার্কার্স পার্টি মনে করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নীতিতে অসন্তুষ্ট হয়ে তাদের রেজিম চেঞ্জ যে পুরানো নীতি অনুসরণ করছে, এই নতুন ভিসানীতি সেই কৌশলের অংশ। নতুন বিশ্বপরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে চিলি, বাংলাদেশ, ইরাক ও আফগানিস্তানের মতো দেশে দেশে ক্ষমতায় পরিবর্তন ঘটানোর অতীতের সক্ষমতা আর নাই। আর তাই তারা এখন স্যাংশন, ভিসানীতি, বাণিজ্যে নিষোধাজ্ঞা আরোপের মতো নতুন নতুন কৌশল নিচ্ছে।'
বাংলাদেশেকেও তারা এর মাধ্যমে ‘বাগে আনতে’ চাইছে অভিযোগ করে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, এর সঙ্গে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন, মানবাধিকার সমুন্নত রাখার কোনও বিষয় নাই।
ওয়ার্কার্স পার্টি মনে করে, তাদের এই নতুন ভিসা নীতিতে সাধারণ মানুষের কিছু যায় আসে না। যারা ব্যাংক লুট করে টাকা পাচার করছে, অবৈধ বাণিজ্যে লিপ্ত এবং যে সব সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচনা করে; তারাই এই ভিসানীতিতে আতংকিত হবে এবং তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে উদ্যোগী হবে।
ওয়ার্কার্স পার্টির বিবৃতিতে মার্কিন এই ভিসানীতিতে বিএনপিসহ তাদের সহযোগীদের উল্লসিত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে মন্তব্য করেন, ‘পাগলের সুখ মনে মনে। তারা বস্তুত নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গের আশায় এই ভিসানীতির সমর্থনে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতে তাদের যেমন প্রত্যাখান করেছে, এবারও করবে।’









