গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী বলেছেন, এই জুলাই অভ্যুত্থান কিন্তু চাকরির জন্যই হয়েছে। কোটা সংস্কারের দাবি থেকেই কিন্তু অভ্যুত্থানের সূত্রপাত। সুতরাং, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চাকরি একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা তরুণদের জন্য উদ্যোক্তামূলক পরিবেশ তৈরি করতে পারিনি। সুতরাং, তরুণদের চাকরির ক্ষেত্রে এখন সুযোগটা বাড়ানো প্রয়োজন। কারণ বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে সামাজিকভাবে অস্থিরতা বাড়বে।
সোমবার (১৪ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থী কর্তৃক ‘তিন বছর করোনায় বঞ্চিত, ব্যাকডেট বঞ্চিত, ৩২ বঞ্চিত জেনারেশনদের চাকরিতে আবেদনের সুযোগ প্রদান’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘৯২ থেকে ৯৩ সালে যারা জন্মগ্রহণ করেছেন, তারা বঞ্চনার শিকার। কারণ তারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঠিকঠাকভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। করোনার কারণে একটি গ্যাপ তৈরি হয়েছে। এছাড়া সরকারি চাকরির বয়সসীমা যখন ৩২ করা হয়েছে, সে সুযোগটাও তারা নিতে পারেননি। সুতরাং, বিষয়টি সরকারের মানবিকভাবে বিবেচনা করা উচিত। সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ নেওয়া উচিত— যাতে এই পরীক্ষার্থীরা অন্তত একবার হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।’
সাকী বলেন, ‘জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সংস্কার কমিটি কিন্তু সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৩৫ করার সুপারিশ করেছে। সরকারি চাকরির যাবতীয় প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীর কিছুটা সময় দরকার হয়।’









