অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি আ স ম রবের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৪আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৪

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, হঠকারী পথে না গিয়ে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

বুধবার (১ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।

জেএসডি সভাপতি বলেন, রক্তাক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোটের যে অঙ্গীকার ছিল, তা ছিল সুনির্দিষ্ট এবং সব রাজনৈতিক দল সমর্থিত। এই গণঅভ্যুত্থান শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনা নয়; বরং এটি ছিল জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস পুনর্নির্ধারণের এক ঐতিহাসিক প্রয়াস।

সেই অবস্থান থেকে বিচ্যুতি নিছক মতপার্থক্য নয়, বরং এটি জনগণের সঙ্গে সম্পাদিত ‘সামাজিক চুক্তি’র চরম অবমাননা হিসেবে গণ্য হবে।

তিনি বলেন, নতুন ধারার রাজনীতির দৃষ্টিতে রাষ্ট্রের বৈধতা জনগণের সরাসরি সম্মতি ও অংশগ্রহণ থেকেই উদ্ভূত হয়। সেই অর্থে জাতীয় সনদ কেবল একটি নীতিপত্র নয়— এটি শ্রমজীবী, কর্মজীবী ও পেশাজীবী জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

রব উল্লেখ করেন, গণভোটকে পাশ কাটিয়ে বা অন্য কোনও প্রক্রিয়ায় সনদ বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হলে তা হবে গণতান্ত্রিক ধারার পরিপন্থি। জাতির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে— অদলীয় সমাজশক্তির সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া যেমন ফ্যাসিবাদ উৎখাত সম্ভব নয়, তেমনই একটি রাষ্ট্রব্যবস্থার টেকসই ভিত্তিও গড়ে ওঠে না। এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করা মানে গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকেই অবমাননা করা। জনমতকে পাশ কাটিয়ে বা জনগণকে আড়ালে রেখে স্থিতিশীলতা অর্জনের চেষ্টা সর্বদা আত্মঘাতী প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ঘোষিত অঙ্গীকার রক্ষা করাই এখন সরকারের রাজনৈতিক সততার একমাত্র মানদণ্ড। এটি কোনও দলীয় অবস্থান নয়, বরং গণতন্ত্র, জনমত ও জুলাই বিপ্লবের চেতনার প্রতি দায়বদ্ধতার প্রশ্ন।

তাই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য তিনি সরকারকে আহ্বান জানান।

/এমকে/আরকে/
সম্পর্কিত
আদালত বিচার করবে আওয়ামী লীগের পরিণতি কী হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের কাজ শুরু: আইনমন্ত্রী
এবার সিলেটের ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন করতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিলেন ডিসি
সর্বশেষ খবর
ভেনিসে আজ ইতিহাস গড়ার দিন বাঁধন, সুনেরাহ ও শিমুর
ভেনিসে আজ ইতিহাস গড়ার দিন বাঁধন, সুনেরাহ ও শিমুর
কামরাঙ্গীরচরে হাজারো নাগরিকের প্লাস্টিক জমা দিয়ে কেনাকাটা
কামরাঙ্গীরচরে হাজারো নাগরিকের প্লাস্টিক জমা দিয়ে কেনাকাটা
মাদ্রাসা ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষকসহ গ্রেফতার ৫
মাদ্রাসা ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষকসহ গ্রেফতার ৫
ইনফান্তিনোর পাশে আফ্রিকা, কেন এতটা আস্থা?
ইনফান্তিনোর পাশে আফ্রিকা, কেন এতটা আস্থা?
সর্বাধিক পঠিত
দেড় ঘণ্টা পর শাহবাগ ছাড়লেন ‘ঢাকাস্থ নোয়াখালীবাসীরা’
দেড় ঘণ্টা পর শাহবাগ ছাড়লেন ‘ঢাকাস্থ নোয়াখালীবাসীরা’
বন্ধ হয়ে গেলো ১৮ বছর ধরে চলা দূরপাল্লার বাস সার্ভিস
বন্ধ হয়ে গেলো ১৮ বছর ধরে চলা দূরপাল্লার বাস সার্ভিস
নতুন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল
নতুন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল
বৃন্দাবনের যে অংশে সন্ধ্যার পর প্রবেশ নিষেধ
বৃন্দাবনের যে অংশে সন্ধ্যার পর প্রবেশ নিষেধ
আর্জেন্টিনার হয়ে বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন মেসি?
আর্জেন্টিনার হয়ে বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন মেসি?